SSC Exam: SSC পরীক্ষায় বসা হল না, 'চাকরি হারানোর পর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন', আগের রাতেই চাকরিহারা শিক্ষকের মৃত্যু !
SSC Case Panskura Job Loser Teacher Death : একাদশ দ্বাদশের পরীক্ষার আগেই পাঁশকুড়ার চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষকুমার মণ্ডলের মৃত্যু !

কলকাতা: সুবল সোরেনের পর সন্তোষকুমার মণ্ডল, ফের চাকরিহারা শিক্ষকের মৃ্ত্যু। SSC পরীক্ষায় বসা হল না, আগের রাতেই চাকরিহারা শিক্ষকের মৃত্যু। অসুস্থতা নিয়ে হাওড়ার নারায়ণা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গতরাতে মৃত্যু পাঁশকুড়ার চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষকুমার মণ্ডলের। চাকরি হারানোরপর থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন, দাবি পরিবারের। গত রবিবার নবম-দশমের নিয়োগের পরীক্ষা দেন সন্তোষ। বৃহস্পতিবার আচমকা অসহ্য পেটের যন্ত্রণা শুরু হয়। পাঁশকুড়ার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয় সন্তোষকে। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় হাওড়ার নারায়না হাসপাতালে স্থানান্তর।
গত রাতে হাসপাতালে মৃত্যু সন্তোষকুমার মণ্ডলের। একাদশ দ্বাদশের পরীক্ষার আগেই হাসপাতালে মৃত্যু। সন্তোষের আদি বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার খাজুরি গ্রামে। ২০১৬ সালে পাঁশকুড়ার আড়িশান্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরি পান। চাকরি পাওয়ার পর পাঁশকুড়ার মেচগ্রামে বাড়ির জায়গা কেনেন। ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি তৈরি করে মেচগ্রামেই থাকতেন সন্তোষ।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি তীব্র মানসিক চাপে পড়ে SSC-র এক চাকরিহারা শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। আর এন টেগোর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা সুবল সোরেনের। আপনার কি মনে হয় চাকরি যাওয়ার জন্যই এই স্ট্রোক এবং মৃত্যু? প্রশ্নের উত্তরে মৃত সুবল সোরেনের স্ত্রী বলেছিলেন, ওই চাকরি চলে যাওয়ার জন্যই স্ট্রোক। আমার স্বামী চলে গেছে। মৃত্যু হয়ে গেছে। আমার স্বামী তো যোগ্য শিক্ষক। কেন ..? ন্যায় বিচার চাই।
দুর্নীতির অভিযোগে গত তেসরা এপ্রিল হাইকোর্টের SSC-র ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। সেই চাকরিহারা শিক্ষকদের মধ্যেই রয়েছেন সুবল সোরেন। পরিবারের দাবি, চাকরি বাতিলের পর থেকেই তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন সুবল সোরেন। সংসার কী করে চলবে? পরিবারের সদস্যদের মুখে ভাত তুলে দেবেন কী করে? বাচ্চা মেয়েটার কী হবে? এই চিন্তা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল চাকরিহারা এই শিক্ষককে। এরইমধ্যে তাঁর শরীর ধীরে ধীরে খারাপ হতে শুরু করে। একসময় স্ট্রোক হয়।
সুবল সোরেনকে মুকুন্দপুরের আর এন টেগোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্রে দাবি, সকালে স্ট্রোক হয়েছিল সুবল সোরেনের। তারপর আর শেষরক্ষা হয়নি! মৃত চাকরিহারা শিক্ষকের স্ত্রী , অনেক চিন্তা করত যে কী হবে না হবে! চাকরি নিয়ে সবসময় চিন্তা করত। চাকরি তো চলেই গেছে। অগাস্ট মাসে যে রিভিউ পিটিশন ছিল, বলেছিল যে কোনওকিছু একটা হবে। দিয়ে যখন কিছুই হল না, আবার অনেক ভেঙে পড়ল। হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ল। বেশি চাপ নিতে পারল না। টেনশন আমি বেশি নিতে পারছি না।'






















