Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মনোনয়নে বিশৃঙ্খলা, এবার ৩৮ জনকে তলব লালবাজারের
আলিপুর ও কালীঘাট থানায় করা FIR-এর ভিত্তিতে তলব লালবাজারের।

কলকাতা: ভবানীপুরের বৃহস্পতিবার বিজেপি প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশ ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় হাজরায়। এই ঘটনায় এবার নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করেছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় দায়িত্বে থাকা কলকাতা পুলিশের ২জন DC-কে শোকজ করেছিল লালবাজার।
আর এবার শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নে বিশৃঙ্খলা, ৩৮ জনকে তলব লালবাজারের। আলিপুর ও কালীঘাট থানায় করা FIR-এর ভিত্তিতে তলব লালবাজারের। ঘটনার CCTV ও ভিডিও ফুটেজ দেখে তলব ৩৮ জনকে।
কী হয়েছিল সেদিন?
যখন অমিত শাহের রোড শো চলে সেই সময় হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের মুখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সার্ভে বিল্ডিংয়ের কাছেও বিবাদে জড়ান তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারস্বরে মাইক বাজানো হয়। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ওই এলাকায় শুধুমাত্র বিজেপির মিছিলের অনুমতি ছিল। বিনা অনুমতিতে সেখানে জড়ো হন তৃণমূল কর্মীরা। পুলিশের বাধা সত্ত্বেও সার্ভে বিল্ডিংয়ের বাইরে তৃণমূলের তরফে মাইক বাজানো হয়। এই ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে কালীঘাট থানায় ১টি ও আলিপুর থানায় দুটি FIR দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ১টি নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে ও ২ দুটি পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা।
এদিকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের বাইরে বিক্ষোভের ঘটনায় FIR দায়েরের পর এবার ২ তৃণমূল কাউন্সিলরকে নোটিস পাঠাল কলকাতা পুলিশ! নিয়ম ভেঙে ফর্ম-6 জমা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে মঙ্গলবার থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ-অশান্তি হয় CEO দফতরের বাইরে। গন্ডগোলের জেরে মঙ্গলবার রাতেই ওই এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করে দেয় পুলিশ। তখনও CEO দফতরের বাইরে তৃণমূলপন্থী সংগঠনের অবস্থান চলছিল। তাঁদের সরাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা বেধে যায়।
এরপর নজিরবিহীনভাবে CEO দফতরের তরফে এক্স হ্যান্ডলে বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়, বেলেঘাটার কাউন্সিলর কিছু দুষ্কৃতীকে নিয়ে মধ্যরাতে CEO অফিস ঘেরাও করে এবং স্লোগান দেয়। এরকম সমাজবিরোধী কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন সিংহ। এরপর বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের ঘটনায় জামিন অযোগ্য ধারায় FIR করা হয়।
যেখানে নাম রয়েছে, কলকাতা পুরসভার ৩৬ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন সিং, ৩২ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু সহ ৬ জনের। দুজনকেই নোটিস পাঠিয়েছে লালবাজার। ৩ দিনের মধ্যে হেয়ার স্ট্রিট থানায় হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দুই তৃণমূল কাউন্সিলরকে। গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।
























