TMC Inner Clash : দুই তাপসের বিস্ফোরক মন্তব্য, কুণালের সামনে বিক্ষোভ, দলে শৃঙ্খলার রাশ কি ক্রমশ আলগা হচ্ছে?
TMC Inner Clash : প্রশ্ন উঠছে শাসক দলে শৃঙ্খলার রাশ কি ক্রমশ আলগা হচ্ছে?

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, ঝিলম করঞ্জাই , বিটন চক্রবর্তী, কলকাতা : নেতায় নেতায় বাগযুদ্ধ থেকে জেলায় জেলায় কোন্দল। পঞ্চায়েত ভোটের মুখে বিড়ম্বনা বাড়ছে তৃণমূলের। প্রশ্ন উঠছে শাসক দলে শৃঙ্খলার রাশ কি ক্রমশ আলগা হচ্ছে? বৃহস্পতিবার টানা তৃতীয়দিন তৃণমূলের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন দলেরই বিধায়ক তাপস রায়। এই বিতর্কে প্রকাশ্যে মুখ খুলে, সরাসরি তাপস রায়ের পক্ষ নিয়েছেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় ও বর্ষীয়ান বিধায়ক মদন মিত্র।
তাপসের নিশানায় সুদীপ, পাশে মদন
সম্প্রতি বিজেপির উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে তমোঘ্ন ঘোষকে। যাঁর বাবা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। সেই তমোঘ্ন ঘোষের বাড়ির দুর্গাপুজোয়, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার কার্যত বোমা ফাটিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়!সুর নরম তো দূর অস্ত দিনে দিনে সুর আরও চড়ছে তাপস রায়ের। বুধবার তাপস রায়ের বাড়িতে গিয়ে, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। আর তারপরই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে, আরও সুর চড়ান তাপস রায়।
রায়ের পর চট্টোপাধ্যায়
অন্যদিকে রায়ের পর চট্টোপাধ্যায়। প্রকাশ্যে মুখ খুলে দলের বিড়ম্বনা বাড়ান তৃণমূলের আরেক তাপস। ইকো পার্কে মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ না পেয়ে, ক্ষোভ উগরে দেন রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। 'আমার মনে হয় আমরা পরিশ্রমীকর্মী, যেমন বাবু আর চাকরদের মধ্যে স্ট্যাটাস থাকে, আমরা মনে হয় দ্বিতীয়টার মধ্যে পড়ি। আমার স্ট্যাটাস এই ধরনের প্রোগামে পড়ে না।'
কুণালের সামনেই বিক্ষোভ
একই দিনে পূর্ব মেদিনীপুরে কার্যত সামনে চলে এসেছে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। বিজয়া সম্মিলনীর আমন্ত্রণপত্রে কেন এগরার তৃণমূল বিধায়ক ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তরুণকুমার মাইতির নাম কেন নেই? এই প্রশ্ন তুলে, তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের উপস্থিতিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলকর্মীদের একাংশ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চণ্ডীপুরের তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীও। মঞ্চ থেকে নেমে এসে কুণাল ঘোষ পরিস্থিতি সামাল দেন।
তৃণমূলে শৃঙ্খলার রাশ আলগা হচ্ছে? দলের অন্দরে নিয়ন্ত্রণ কমছে? এই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। দুর্নীতি-কেলেঙ্কারি নানা অভিযোগে বিধ্বস্ত তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব, নরমে না গরমে, দলের অন্দরে এই ক্ষোভ-বিক্ষোভ সামাল দেয়, সেদিকেই সবার নজর।
Before You Go
Taratala News: 'আমি যতদূর জানি, ওই গোডাউন বেআইনি নয়', তারাতলা-কাণ্ড প্রসঙ্গে বললেন Firhad Hakim





















