Tiljala Fire Incident : অ্যাকশনে সরকার, তিলজলায় অবৈধ কারখানা ভাঙতে 'বুলডোজার'
Kolkata News : অবৈধ কারখানা নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত এসে পৌঁছে গিয়েছে বুলডোজার। শুরু হয়েছে বাড়ি ভাঙার কাজ ।

কলকাতা : অবৈধ কারখানা নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর। বিল্ডিং প্ল্যান না থাকলেই অবৈধ কারখানা ভাঙার নির্দেশ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত এসে পৌঁছে গিয়েছে বুলডোজার। KMC-এর তরফ থেকে কারখানা ভাঙতে ময়দানে হাজির বুলডোজার। মুখমন্ত্রী জানান, 'কোনও কারখানা অবৈধ হলেই জল-বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হবে'। তিলজলায় ২জনের মৃত্যুর পরে কঠোর পদক্ষেপ নিলেন। 'কোন কোন কারখানা অবৈধ, সব তদন্ত করে দেখা হবে', কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কড়া পদক্ষেপ সরকারের। কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, ইকবালপুরের মতো এলাকায় কাদের কাদের বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমতি নেই, খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, অডিট করে একদিনের মধ্যেই অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তিলজল কাণ্ডে বড় অ্যাকশনে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মেনে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গেছে। ৪ থেকে ৫টি বুলডোজার এসে উপস্থিত হয়েছে। সরকারের নির্দেশ মেনে KMDA-এর যৌথ উদ্যোগে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। পুরো বাড়ি ফাঁকা করিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা জিনিস আছে সব সরিয়ে নিচ্ছেন বাড়ির লোকেরা। ২টি বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করে দিয়েছে। পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক, পুলিশ ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পৌরসভার অধিকারীরকরা উপস্থিত আছেন। এই মুহূর্তে এই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন - 'রাজ্যের জন্য অশনি সংকেত' ! তিলজলা কাণ্ড নিয়ে এই ৫ বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনা নিয়ে দুপুরেই সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি জানান, ''ওই অবৈধ কারখানা বা বিল্ডিং-এ কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। ফায়ার ও ইলেকট্রিসিটি সঠিক ব্যবস্থাও ছিল না এবং যা ছিল সবটাই অবৈধ।'' তিনি আরও জানান যে, ''আমরা এই ঘটনার কারণে কতগুলো কড়া ব্যবস্থা নিয়েছি।''
- ১. ''তিলজলা PS-এর কেস নম্বর ২২৬ অনুযায়ী কারখানার মালিক সহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ''
- ২. ''ইলেকট্রিক সংস্থাকে স্থায়ীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ''
- ৩. ''CSC-কে বলা হয়েছে যত এই ধরণের অবৈধ কারখানা আছে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বাদ দেওয়ার জন্য, বিশেষ করে কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, ইকবালপুর এই সব জায়গায়। ''
- ৪. ''পৌর নগর-উন্নয়ন সচিবকে বলা হয়েছে, একদিনের মধ্যে অবৈধ বিল্ডিংগুলো ভেঙে ফেলার জন্য। KMC-এর উদ্যোগে ও কলকাতা পুলিশ-এর সাহায্য নিয়ে।''
- ৫. ''KMC-কে বলা হয়েছে, এই ধরণের বিপদজনক কারখানার জলের সংযোগ কেটে দিতে।''
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ''আমরা এখন জিরো টলারেন্স-এর ব্যবস্থা নিচ্ছি। যারা সতর্ক হওয়ার হয়ে যান। যারা বেআইনি কাজকর্ম করছেন, তাঁদেরকেও আমরা সংশোধিত হতে এবং এই ধরণের কাজ থেকে বিরত থাকতে কড়া নির্দেশিকা ও উপদেশ দিচ্ছি।























