TMC News : 'তৃণমূলের টাকায় কপ্টার-বিমান কিনে তৃণমূলকেই ভাড়া !' অ্যাকাউন্টের টাকা খরচ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য
TMC Bank Account : ২০২৩ এর এপ্রিল মাসের থেকে জুন, ২০২৬ পর্যন্ত মোট ১৬০ কোটি টাকা ট্রান্সফার হয়েছে অ্যাকাউন্টে। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে বিমান সংস্থাকে ১৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা : তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় ইডির হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরে ১৫০ কোটি টাকারও বেশি সন্দেহজনক লেনদেন। কলকাতার ৪ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তৃণমূলের এই অ্যাকাউন্টে কোন কোন জায়গা থেকে, কিসের টাকা ঢুকেছে? টাকার উৎস কী? মূলত এই সব তথ্য জানতে তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
সূত্রের খবর, প্রাথমিক তদন্তে কোটি কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। নজরে রয়েছে ‘কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন’ নামক একটি সংস্থা। 'তৃণমূলের টাকায় কপ্টার-বিমান কিনে তৃণমূলকেই ভাড়া'! তৃণমূলের তহবিল-তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর দাবি ED-র। তৃণমূলের টাকাতেই বিমান-কপ্টার কিনেছিল কলকাতার এই সংস্থা।
সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মতো ভিভিআইপি-দেরও বিমান ভাড়া দিত এই সংস্থাটি। '১১২ কোটি টাকায় একটি বিমান, কপ্টার কেনে কেয়ারওয়েল। কেনা হয় লেগাসি এমব্রেয়ার ৬০০ বিমান, অগাস্টা ১০৯ SP কপ্টার। কপ্টার কিনতে যুক্ত হয়েছিল বিদেশ থেকে আসা টাকাও। তৃণমূলের টাকায় বিমান, কপ্টার কিনে তা ভাড়া দেওয়া হয় তৃণমূলকেই। বিমান সংস্থাকে ভাড়া বাবদ মোটা টাকাও মেটায় তৃণমূল। ২০২৩ এর এপ্রিল মাসের থেকে জুন, ২০২৬ পর্যন্ত মোট ১৬০ কোটি টাকা ট্রান্সফার হয়েছে অ্যাকাউন্টে। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে বিমান সংস্থাকে ১৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের ১৬০ কোটি যায় কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন ইন্ডিয়ায়। ১৬০ কোটির প্রায় ৮৩ কোটি টাকা আবার অন্য অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয়।
আরও পড়ুন - তৃণমূলের ব্য়াঙ্ক অ্য়াকাউন্ট নিয়ে তদন্তে ED, এবার কি তবে সামনে এল কোনও চাঞ্চল্যকর তথ্য ?
তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে যাবতীয় লেনদেনই অত্যন্ত সন্দেহজনক। তৃণমূলের তহবিল-তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। সন্দেহজনক বেআইনি লেনদেন, অবৈধভাবে টাকা রোজগার নিয়ে তদন্তে নামে ED. মোট ৫ জায়গায় তল্লাশি ED-র। নিউটাউন, রাধাবাজার স্ট্রিটে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের অফিসেও তল্লাশি চালায়।
উল্লেখ্য, আগেই HDFC ব্য়াঙ্কে তৃণমূলের নামে থাকা ৩টে অ্য়াকাউন্টে 'ডেবিট ফ্রিজ' করা হয়েছিল। অরূপ বিশ্বাসের চিঠি ঘিরে তৃণমূলের তহবিল-বিতর্কের সূত্রপাত হয়। নিজেকে কোষাধ্য়ক্ষ বলে দাবি করে ব্যাঙ্ককে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের আবেদন জানান অরূপ। এরপরেই, বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ দায়ের করে 'ঋতব্রত-তৃণমূল', বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে দায়ের করা হয় সেই অভিযোগ।























