Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণা যোজনা-লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিধানসভায় বার্তা অর্থমন্ত্রীর, কী জানালেন তিনি?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রসঙ্গ তোলেন অর্থমন্ত্রী। আগের সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বর্তমান সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার থেকে কোন ক্ষেত্রে আলাদা ছিল তা স্পষ্ট করে দিলেন অর্থমন্ত্রী

কলকাতা: ভোটের আগেই অন্নপূর্ণা যোজনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি সরকার। ভোটের ফলাফলের পর ক্ষমতা এসেই অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো শুরু হয় ফর্ম ফিলআপ। দেওয়া হয়েছে টাকা, এমনটাই দাবি।
যদিও এই যোজনা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। এদিন এ প্রসঙ্গে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, 'অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রেখেছেন। এটা কী ভিত্তিতে করা হয়েছে? লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে কোনটি ঠিক কী বেঠিক তা নিয়ে নানা কথা চলছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল ইউনিভার্সাল স্কিম (সর্বসাধারণের জন্য প্রকল্প)। যাতে আমার স্ত্রী-ও বলতে পারত আমার একটু পকেট মানি দরকার, নিয়ে নিত'।
এরপরই অর্থমন্ত্রী বোঝালেন এই দুই প্রকল্পের ফারাকের বিষয়ে। স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার হল যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের জন্য। এটাই হল বড় পার্থক্য। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের থেকে এটাই আলাদা দিশা'।
আরও পড়ুন, ১ জুলাই থেকে বদলে যাচ্ছে ৫ বড় নিয়ম! LPG, আধার, ব্যাঙ্কের কার্ড— না জানলে বাড়তে পারে খরচ
বাজেটের জবাবি ভাষণে অর্থমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আয় বা আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে কোনও কার্যকর বাছাই পদ্ধতি ছিল না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই এমন মানুষও সরকারি অনুদান পেয়েছেন, যাঁদের সেই সহায়তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অর্থ সীমিত, তাই তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন সরকার জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি তহবিলের প্রতিটি টাকা যেন সঠিকভাবে ব্যয় হয়, সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন প্রকল্পের নিয়ম ও প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তাঁর মতে, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে আধুনিক তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক যাচাই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা হবে।






















