Arambag TMC Election Campaign: প্রচারে বেরিয়ে চপ ভেজে চপ বিক্রি আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থীর, দেওয়াল লিখনে কটাক্ষ বিজেপির
Arambag TMC Election Campaign 2026 : বিলম্ব না করে সেই দোকানে ঢুকে চপ ভাজতে শুরু করে দেন। সেই চপ বিক্রিও করে দেন।

বাপন সাঁতরা, আরামবাগ: সাত সকালে আরামবাগ বাজারে ভোট প্রচারে বেরিয়ে সোজা ঢুকে গেলেন চপের দোকানে। সেখানে নিজের হাতে চপ ভাজলেন আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। সকাল সকাল আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ আরামবাগের সব্জি বাজারে যান। সেখানে ক্রেতা, বিক্রেতা থেকে শুরু করে নিত্য যাতায়াতকারী মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। হাত জোড় করে ভোট ভিক্ষা করেন। এলাকার মানুষজনও তৃণমূলের এই প্রার্থীকে সাদরে গ্রহণও করেন।
এদিকে বাজারে ঘুরতে ঘুরতে তিনি হঠাৎই দেখতে পান একটি চপের দোকানে চপ ভাজা চলছে। তিনি কাল-বিলম্ব না করে সেই দোকানে ঢুকে চপ ভাজতে শুরু করে দেন। সেই চপ বিক্রিও করে দেন। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক স্বপন নন্দী, আরামবাগ পুরসভার ভাইসচেয়ার ম্যান মমতা মুখোপাধ্যায় সহ একাধিক নেতৃত্ব।
এই চপ ভাজাকে ঘিরে কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। তবে যেখানে তিনি চপ ভাজছিলেন তাঁর পাশেই বিজেপির দেওয়াল লিখন, 'দরকার ছিল শিল্প, পিসি বলল লন্ডনের গল্প/ যুবকরা চাইল কাজ, পিসি বলে চপ ভাজ'। তৃণমূল প্রার্থীর চপ ভাজাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা।
যত দিন যাচ্ছে প্রচারের ধরনও বদলে যাচ্ছে। এখন আর শুধু সভামঞ্চেই আটকে নেই প্রার্থীরা, আমজনতার বাড়ির দরজায় দরজায় পৌঁছে যাচ্ছেন তাঁরা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এ বার পুরশুড়ায় অভিনব প্রচার করতে দেখা গেল তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারিকে। গৃহস্থের হেঁশেলে ঢুকে রুটি বেলতে বেলতেই ভোট চাইলেন তিনি।
শনিবার পুরশুড়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারি পৌঁছে যান পুরশুড়া ২ অঞ্চলের পালপাড়া এলাকার এক ভোটারের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, বাড়িতে গ্যাস নেই। তাই বাধ্য হয়ে গৃহবধূ উনুনে রুটি বানাচ্ছেন। এই দৃশ্য দেখে পার্থ বেলন হাতে নিজেই রুটি বেলতে শুরু করেন। আর পার্থকে এমনটা করতে দেখে তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও উৎসাহ বাড়ে। হেঁশেলের মধ্যেই তাঁরা পার্থর নামে শুরু করে দেন স্লোগান। পার্থ হাজারি এই প্রসঙ্গে জানান, আগেও তিনি রুটি বানিয়েছেন। কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে। এখন গ্যাস নেই বলে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন। তাই প্রচারে বেরিয়ে একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।
























