Jalpaiguri News: তৃণমূল নেতার গাড়িতে পার্টি ! ভিতরে হাজির বিজেপি নেত্রী ! মারাত্মক অভিযোগ, ভাইরাল ভিডিও
TMC and BJP: জলপাইগুড়িতে তৃণমূল নেতার গাড়িতে মদের আসর, সঙ্গী বিজেপি নেত্রী ! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জলপাইগুড়ি : জলপাইগুড়িতে তৃণমূল নেতার গাড়িতে মদের আসর, সঙ্গী বিজেপি নেত্রী ! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ডুয়ার্সের আপালচাঁদ জঙ্গলের রাস্তায় তৃণমূল নেতার গাড়িতে চলছিল পার্টি। গাড়িতে ছিলেন তৃণমূল নেতা পঞ্চানন রায় এবং বিজেপি নেত্রী দীপা বণিক, এমনই অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, পঞ্চানন রায় ক্রান্তি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। অন্যদিকে দীপা বণিক বিজেপির মহিলা মোর্চার জেলা সভানেত্রী। এক গাড়িতে প্রতিপক্ষ দুই নেতা-নেত্রীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। আর এই ভিডিও ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল-বিজেপি উভয় পক্ষই।
তবে এই ঘটনায় তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে বলেই দাবি করেছেন পঞ্চানন রায় এবং দীপা বণিক দুজনেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, জঙ্গলের রাস্তায় তৃণমূল নেতার গাড়ির মধ্যে চলছিল পার্টি। স্থানীয়দের আরও দাবি, তৃণমূল নেতার গাড়ির পিছনের সিটে বসেছিলেন বিজেপি নেত্রী দীপা বণিক এবং তাঁর সামনেই রাখা ছিল মদের গ্লাস। ঠিক কী চলছে তা জানতে গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেন স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন। তখনই সবটা সামনে আসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একজনকে বলতে শোনা যায় 'এই রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের পাশে গাড়িতে কী করছেন? এটা বসার জায়গা?আবার মদ খাচ্ছেন রাস্তার মধ্যে বসে?' ভিডিওতে দেখা গিয়েছে বিজেপি নেত্রী বলছেন, 'একসাথে বসতেই পারি আমরা। ১০০ বার। অসুবিধা কী আছে তোমাদের?'
পঞ্চানন রায় বলছেন, 'আমরা তো গাড়ির ভিতরে বসিনি। বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম।' পঞ্চাননবাবু আরও বলেন, তিনি এবং তাঁর বন্ধু যাচ্ছিলেন গজলডোবার দিকে। আর সেদিক থেকেই আসছিলেন বিজেপি নেত্রী দীপা বণিক এবং আরও অনেকজন। পঞ্চানন রায়ের কথায়, 'ক্রান্তি ছোট জায়গা। সবাই সবার গাড়ি চেনে। তাই গাড়ি দাঁড় করিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম।' আশপাশ থেকে যাঁরা এসে প্রশ্ন করেছেন তাঁদের 'ইয়ং জেনারেশন এবং ড্রাগ অ্যাডিক্টেড' বলেও তোপ দেগেছেন পঞ্চানন রায়। তিনি এও বলেন, 'হয়তো ওদের কোনও চক্রান্ত ছিল। আমরা ওখানে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ১০-১৫ মিনিট কথা বলছিলাম। ওরা ৪-৫ জন যেভাবে এসে যেভাবে চার্জ করছিল, কাউন্টার করছিল, একজন মহিলা কী করবেন? ভয় পেয়ে পাশের গাড়িতে ঢুকে যাবেন। তাই করেছেন। হয়তো আমাদের ফাঁসানোর চক্রান্ত ছিল।'
অন্যদিকে বিজেপি নেত্রী দীপা বণিক বলছেন, 'আমরা ছিলাম সন্ধে সাড়ে সাতটায়। সেটা দেখাচ্ছে রাত ১১টা। সব পরিকল্পনামাফিক চক্রান্ত করা হয়েছে আমার সঙ্গে। আমি আমার প্রোগ্রাম সেরে ফিরছিলাম। যে ছেলেটি সবসময় আমার সঙ্গে থাকে, সেও ছিল। ৭টা ৪৫ হবে। রাস্তায় দেখা হয়েছিল। হাত দেখানো হয়। গাড়ি দাঁড় করিয়ে বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। ৫-৭ মিনিটের মধ্যে ছেলে চলে আসতে পারে। তাহলে পরিকল্পনা ছিল। এমনভাবে প্রেশার দিচ্ছিল। আমি কী করব। না পারছি ফোন করতে, না পারছি কিছু করতে। আমায় বলল গাড়িতে গিয়ে বসতে। ওখানে গিয়ে দেখি গ্লাস। ভয়ে গ্লাসটা সামনে রেখে দিই।'






















