Blood Bank Scam: রক্ত ও প্লাজমা পাচার রুখতে আরও কড়া রাজ্য, ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোর জন্য আসছে নিজস্ব SOP!
Blood and Plasma Trafficking: রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহ করে, ভিন রাজ্যে রক্ত-প্লাজমা বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে ভিন রাজ্যে রক্ত ও প্লাজমা পাচারের রমরমা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। ভিন রাজ্যে রক্ত ও প্লাজমা পাচারকাণ্ড রুখতে আগেই পদক্ষেপ নিয়েছিল রাজ্য। এবার রক্ত ও প্লাজমা পাচার (Blood Bank Scam) রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের। বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিকে নিয়মের গণ্ডিতে বাঁধতে এবার আসছে রাজ্যের নিজস্ব রক্ত সংক্রান্ত SOP।
রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহ করে, ভিন রাজ্যে রক্ত-প্লাজমা বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এবার থেকে বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিকে নিয়মের গণ্ডিতে বাঁধতে চালু হতে চলেছে রাজ্যের নিজস্ব রক্ত সংক্রান্ত SOP। গোটা প্রক্রিয়ায়, কী করা যাবে আর কী করা যাবে না? বিস্তারিত গাইডলাইন বানাচ্ছে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল বা SBTC। স্বাস্থ্য ভবনের তরফে এই SOP তৈরি করতে ৭ সদস্যের কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটিতে থাকবেন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞ, ড্রাগ কন্ট্রোল ও বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা।
রক্ত ও প্লাজমা পাচার রুখতে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দফতর একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। এই কড়া পদক্ষেপের ফলে ১২টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই উত্তরপ্রদেশ, বিহারের মতো ভিনরাজ্য থেকে বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক নতুন করে স্বাস্থ্য ভবনের কাছে আবেদন জানাতে শুরু করেছে, তাদের যেন ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যভবন একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাদের রক্ত বিক্রি করা হবে, সেই সংস্থার লাইসেন্সের কপি, চুক্তিপত্র, সবকিছু স্বাস্থ্য ভবনে আগে জমা করতে হবে। তারপর স্বাস্থ্য ভবন অনুমতি দেবে এই রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে রক্ত নিয়ে যাওয়ার।
এর আগে ৭৩টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে ১১ অগস্ট স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে ব্লাড ট্রান্সফিউশন পদ্ধতি, রক্ত সংগ্রহের নিয়ম নিয়ে, ব্লাড ব্যাঙ্ক চালানোর নিয়ম ও কোনও গাফিলতি সামনে এলে তদন্ত যেন সঠিক হয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। যে ১২টি ব্লাড ব্যাঙ্কের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, তাদের মধ্যে থেকে স্বাস্থ্যভবনে মুচলেকা দেয় ওম ব্লাড ব্যাঙ্ক। তাদের পরিচালিত ৬টি সেন্টারের মধ্যে ২টি সেন্টার থেকে শর্তসাপেক্ষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় স্বাস্থ্যভবন।






















