Weather Update : তীব্র গরম থেকে মুক্তি! এই জেলাগুলিতে ধেয়ে আসছে ঝড়, তুমুল বৃষ্টি, আবহাওয়ার বড় অ্যালার্ট
এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

রাজ্যে ফের ঝড়-বৃষ্টির ভ্রুকুটি। আগামী কয়েকদিন উত্তর ও দক্ষিণ— দুই বঙ্গেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, কোথাও আবার ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ মে থেকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে একাধিক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
২১ মে , বৃহস্পতিবার
জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
২২ মে, শুক্রবার
২২ মে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা আবহবিদদের। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ধস নামার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।
শনি ও রবিবার
২৩ ও ২৪ মে-ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
দক্ষিণবঙ্গেও ঝড়-বৃষ্টির দাপট
দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
১৯ ও ২০ মে কয়েকটি জেলায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া ও বীরভূমে ঝড়ের দাপট বেশি থাকতে পারে।
২১ ও ২২ মে-ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বজায় থাকবে। তবে ২৩ ও ২৪ মে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের।
কী কী সমস্যা হতে পারে?
আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা—
- বজ্রপাতের সম্ভাবনা, বিশেষ করে খোলা জায়গায়
- পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে
- ভারী বৃষ্টিতে দৃশ্যমানতা কমতে পারে
- যান চলাচলে সমস্যা ও ট্রাফিক জ্যামের আশঙ্কা
- ফসল ও উদ্যানপালনের ক্ষতি হতে পারে
সতর্কতার পরামর্শ
- বজ্রঝড়ের সময় নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ
- অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরনোই ভালো
- পাহাড়ি এলাকায় অতিরিক্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ
- ঝড়ের সময় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটির নিচে না দাঁড়ানোর আবেদন























