West Midnapore News: বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরেই অস্বস্তি; দাঁতনে অসুস্থ শতাধিক, ভর্তি হাসপাতালে
Dantan News: দাঁতন এক ব্লকর মেনকাপুর এলাকায় বাদল মাইতির ছেলে আনন্দ মাইতির বিয়ের বুধবার দুপুরে ছিল প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান। গ্রামবাসীরা দুপুরে সেই খাবার খেয়ে বাড়ি চলে যান।

অমিত জানা, পশ্চিম মেদিনীপুর: বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ শিশু সহ শতাধিক। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন এক নং ব্লকের মেনকাপুর এলাকার। অসুস্থদের ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। প্রাথমিকভাবে অনুমান, খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই অসুস্থ হয়েছেন।
দাঁতন এক ব্লকর মেনকাপুর এলাকায় বাদল মাইতির ছেলে আনন্দ মাইতির বিয়ের বুধবার দুপুরে ছিল প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান। গ্রামবাসীরা দুপুরে সেই খাবার খেয়ে বাড়ি চলে যান। জানা গিয়েছে, বিকেলের পর থেকে একে একে অসুস্থ হতে শুরু করে। অসুস্থদের নিয়ে আসা হয়েছে দাঁতন গ্রামীণ হাসপাতাল,ও পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। অসুস্থদের মধ্যে রয়েছে একাধিক শিশুও। এদিন দাঁতন গ্রামীণ হাসপাতলে রাতে ভর্তি করা ৫০ থেকে ৬০ জন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু ও রয়েছে। রাত যত বাড়ে অসুস্থ তার সংখ্যা ও তত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। সকলকেই ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। স্থানীয় গ্রামবাসী পার্বতী মাইতি বলেন, "দুপুরে বিয়েবাড়ি খেয়ে বাড়ি আসার পর শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে বমি শুরু হয়। আমার পরিবারের ৬ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রীতিভোজের অনুষ্ঠানের যত জন খেয়েছে প্রায় সকলেই কমবেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও দাঁতন হাসপাতালে ভর্তি।'' প্রাথমিকভাবে অনুমান, খাবারে কিছু পড়ে যাওয়ার কারণেই বিষক্রিয়া হতে পারে, প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের অনুবাদ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বিষক্রিয়ার কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সকলে। যদিও সকলেই সুস্থ রয়েছেন।
এদিকে চারমাসের লড়াই শেষে মৃত্যু হল নাসরিন খাতুন। ল্যাকটেট স্যালাইন নিয়ে অসুস্থ হওয়ার পর, SSKM হাসপাতালে মৃত্যু হল মেদিনীপুরের প্রসূতির। মৃত প্রসূতির বাড়ি কেশপুরের ন্যাড়াদেউল গ্রামে। গত ৮ জানুয়ারি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে কন্যাসন্তান প্রসব করেন ২০ বছরের নাসরিন। অভিযোগ ওঠে, রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন ব্যবহার করার ফলে ৬ জন প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ১০ জানুয়ারি, মামণি রুইদাস নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। বাকি ৫ জন প্রসূতির মধ্যে নাসরিন খাতুন-সহ ৩ জন ভেন্টিলেশনে ছিলেন। ১২ জানুয়ারি, গ্রিন করিডর করে কলকাতায় এনে ৩ জনকে ভর্তি SSKM হাসপাতালে করা হয়। তারপর থেকে SSKM-এই চিকিৎসাধীন ছিলেন নাসরিন। ৯ মে ডায়ালিসিসের পর ফের সঙ্কটজনক হয়ে পড়েন ওই প্রসূতি। রবিবার রাতে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।




















