Woman Mysterious Death : নিউটাউনে তরুণীর রহস্যমৃত্যু, রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেল লিভ-ইন পার্টনারকে
কলকাতা, আবীর দত্ত : ব্যারাকপুরের বাসিন্দা তৃষার পাশাপাশি ফ্ল্যাটেই রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে তার লিভ ইন পার্টনারকে। কী কারণে এই ঘটনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কলকাতা, আবীর দত্ত : নিউটাউনের চণ্ডীবেড়িয়াতে ফ্ল্যাটের মধ্যেই পাওয়া গেল তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। মৃতের নাম তৃষা সাহা। ব্যারাকপুরের বাসিন্দা তৃষার পাশাপাশি ফ্ল্যাটেই রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে তার লিভ ইন পার্টনারকে। কী কারণে এই ঘটনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও কী তথ্য় পাওয়া গেছে
বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, ৪ মাস আগে যুবকের সঙ্গে চন্ডীবেড়িয়ায় থাকতে শুরু করে তৃষা সাহা। রবিবার রাতে হঠাৎ ফোন আসে তাঁর কাছে। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, তৃষা আত্মহত্য়া করেছে, পুলিশকে জানাতে হবে। খবর পেয়েই সেখানে ছুটে যান তিনি। তবে গেট বন্ধ থাকায় ভিতরে কী হয়েছে তা বুঝতে পারেননি বাড়ির মালিক। ১০-১২ বার ফোন করার পরও ভিতর থেকে কোনও উত্তর আসেনি। এরপর ফোন আসে তার কাছ। ভিতরে থেকে দরজা খুলে দেওয়া হয়। ঘরের পরস্থিতি দেখে তড়িঘড়ি থানায় ফোন করেন তিনি।
পুলিশ কী বলছে ?
বাড়ির মালিককে দু-জনে জানিয়েছিল-ওরা কোনও প্রাইভেট ফার্মে কাজ করে। প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ মৃতের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে । তৃষার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, অতীতে কোনওদিন দুজনের মধ্যে বচসা বা চিৎকার শোনেননি তিনি। তৃষাকে মারধর করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা সেই দিকটাও বুঝতে চাইছে পুলিশ।
লিভ ইন পার্টনারের কী অবস্থা
এই ঘটনায় হাতে ক্ষত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে তৃষার লিভ ইন পার্টনারকে। দু-জনে হাতাহাতির পর তৃষা তাকে কোনও কিছু দিয়ে আঘাত করে, না নিজেই সেই ক্ষত তৈরি করেছে লিভ-ইন পার্টনার, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এখন চিকিৎসা চলছে তার। ট্রিটমেন্টের পর তার বয়ান নথিভুক্ত করবে পুলিশ । বাড়িওলার বয়ান নেওয়ার পর এবার তৃষার বাড়ির লোকজনের কাছেও যাবেন পুলিশের আধিকারিকরা। তবে এখনও পর্যন্ত আত্মহত্যা সংক্রান্ত কোনও নোট হাতে আসেনি পুলিশের।
আগেও হয়েছে এই ধরনের ঘটনা
বছরখানেক আগে সারা ভারতে সাড়া ফেলে দিয়েছিল শিলংয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনা। এবার দিল্লি থেকে উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে গিয়ে হোম স্টে-তে প্রাণ খোয়ালেন এক যুবতী। সূত্রের খবর, সদ্য বিবাহিত এক দম্পতি কয়েকদিনের ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডে। সেখানে গিয়ে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা।হোমস্টের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৭ বছরের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের দেহ। ঘরের ভিতর মিলেছে রক্তের দাগও। কীভাবে মৃত্যু হল তরুণীর, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।
মৃতার নাম পি রাধা গায়ত্রী। তিনি গুরগাঁওয়ের একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকালে মুসৌরি-ধনৌলটি রোডের একটি হোম - স্টেতে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা পৌঁছলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।























