Yuva Sathi Form: বেকার ভাতার ফর্মে ভুল তথ্য জমা দিয়েছেন? সংশোধন করা যাবে? ভুল করেও যা করবেন না এখন!
এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে অনলাইনে জমা দেওয়া ফর্ম কি এডিট করা সম্ভব? এখনও পর্যন্ত নিয়ম অনুসারে...

কলকাতা: শেষ হল রাজ্য সরকারের যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া। প্রচুর আবেদন জমা পড়েছে। এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে যে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে অনেকেই ফর্মে তথ্যগত ভুল করেছেন।
ফর্ম জমা দেওয়ার পর এই ভুল নজরে আসায় চিন্তিত অনেকেই। ভুল তথ্যসহ ফর্ম জমা দিলে ভবিষ্যতে সুবিধা পাওয়া নিয়ে সমস্যা হতে পারে। বাতিলও হয়ে যেতে পারে আবেদন।
এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে অনলাইনে জমা দেওয়া ফর্ম কি এডিট করা সম্ভব? এখনও পর্যন্ত নিয়ম অনুসারে পোর্টালে ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ ধাপে স্ক্রিনে একটি সতর্কবার্তা আসে, যেখানে বলা হয়েছে একবার ফাইনাল সাবমিট হয়ে গেলে আর কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। অর্থাৎ, ভুল তথ্যসহ একবার সাবমিট হয়ে গেলে আবেদনকারীরা নিজের থেকে অনলাইনে তা আর ঠিক করতে পারবেন না।
তবে যে ভুলটি ভুলেও করবেন না তা হল- অনলাইনে ভুল হওয়ার পর অনেকেই ভাবেন যে অন্য একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে নতুন করে লগইন করে আবার সঠিক ফর্ম ফিলাপ করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন আপনি মোবাইল নম্বর বদলালেও আপনার আধার কার্ডের নম্বর একই থাকছে। যখনই আপনি দ্বিতীয়বার ফর্ম জমা দেবেন, সিস্টেম দুটি আবেদনকে ‘ডুপ্লিকেট’ হিসেবে চিহ্নিত করবে। আবেদনই বাতিল হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রার্থীরা সরাসরি অরিজিনাল ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করে দিচ্ছিলেন এই ভুলটি করলে ফর্ম বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি ডকুমেন্ট অবশ্যই ‘সেলফ-অ্যাটেস্টেড’ হতে হবে। প্রথমে আপনার অরিজিনাল ডকুমেন্টের জেরক্স বা ফটোকপি করান। সেই জেরক্সের নিচে নিজের সই করুন এবং “Self-Attested” কথাটি লিখুন। এরপর সেই সই করা কাগজটি স্ক্যান করে পোর্টালে আপলোড করতে হবে।
যাঁরা শিক্ষা সংক্রান্ত বা স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না, তাঁদের কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত, সর্বাধিক ৫ বছর অবধি, মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। ‘বাংলার যুব-সাথী’ প্রকল্পের জন্য, ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।























