Panchayat Election:হাসপাতালে ভর্তি তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিকে দেখতে গেলেন রাজ্যপাল
Governor C V Ananda Bose:গত কাল দেখা করেছিলেন জখম তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রীর সঙ্গে। আর এদিন দেখা করতে গেলেন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে।

শুভেন্দু ভট্টাচার্য, কোচবিহার: গত কাল দেখা করেছিলেন জখম তৃণমূল প্রার্থীর (Injured TMC Candidate) স্ত্রীর সঙ্গে। আর এদিন দেখা করতে গেলেন বেসরকারি হাসপাতালে (Private Hospital) ভর্তি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে। রাজভবন (Raj Bhavan) সূত্রে গত কালই খবর মিলেছিল, রাজ্যপাল সকলের জন্য। মোবাইল রাজভবন শুধুমাত্র বিরোধীদের সঙ্গে নয়, শাসক দলের যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের সঙ্গেও রাজ্যপাল যোগাযোগ করছেন। কোচবিহার সফরে গিয়ে কার্যত সেটাই করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।
কী করলেন?
পঞ্চায়েত ভোটের আগে হিংসার খবরের জেরে বার বার শিরোনামে এসেছে কোচবিহার। পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে সন্ত্রাসের আবহে গত ২৪ দিনে মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। এঁদের মধ্যে ২ জনই কোচবিহারের।রাজ্যপাল যখন কোচবিহারে, শুক্রবার তখনও দিনহাটায় কংগ্রেস প্রার্থীর বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে, গত কাল, শনিবার দিনভর কোচবিহারের সন্ত্রাস কবলিত এলাকা চষে বেড়ালেন রাজ্যপাল বোস। আজ বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে, গত কাল মাঝরাতে হাসপাতালে ফোন করে তৃণমূল নেতা-সহ আহতদের যাতে ভালভাবে চিকিৎসা হয়, তাঁরও নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পর বড়শাকদল পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থীর আহত স্ত্রীকে দেখতেও দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালেও যান রাজ্যপাল। পাশাপাশি, গীতালদহের নিহত তৃণমূল কর্মী, যাকে আন্তর্জাতিক দুষ্কৃতী বলে দাবি করেছে বিজেপি, তাঁর পরিবারের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন রাজ্য়পাল। পাশে থাকার আশ্বাস দেন। যদিও তার আগে, কোচবিহার সার্কিট হাউসে সি ভি আনন্দ বোসের কাছে নালিশ জানাতে হাজির হয় বিজেপি-বাম-কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে ছিলেন বিজেপির ৫ জন বিধায়ক। বিজেপির প্রতিনিধিরা রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করলেও, দিনহাটায় সিপিএম ও কংগ্রেস কর্মীরা রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে গেলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এরপর রাজ্যপালের গন্তব্য ছিল, দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের টিয়াদহ। দিনহাটার কিশামত দশগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের এই টিয়াদহ গ্রামেই কুপিয়ে খুন করা হয় বিজেপি প্রার্থীর দেওর শম্ভু দাসকে। সেখানে পৌঁছলে, রাজ্যপালের কাছে পরিবারের পাশাপাশি, স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন। ভোট ঘোষণার পর শুধুমাত্র গীতালদহেই এক তৃণমূল কর্মী খুন ও ২ তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সেখানে না যাওয়ায় ফের রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল রাজ্য়ের শাসকদল। তবে কোচবিহার ১ নম্বর ব্লকের হাঁড়িভাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেস ও সিপিএম প্রার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেন রাজ্যপাল। সেখান থেকে কোচবিহার মিশন হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন রাজ্যপাল। শীতলকুচির জখম বিজেপি নেতা কৃষ্ণ রবি দাসের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।এরপর রাজ্য়পাল রওনা হন দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের শিমুলতলার উদ্দেশে। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যপাল সকলের জন্য। মোবাইল রাজভবন শুধুমাত্র বিরোধীদের সঙ্গে নয়, শাসক দলের যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের সঙ্গেও রাজ্যপাল যোগাযোগ করছেন।
আরও পড়ুন:সকন্যা তিহাড়ে অনুব্রত, খাঁ খাঁ করছে বাড়ি-কার্যালয়, বীরভূমে বৈতরণী পার হবে তৃণমূলের!





















