Humayun Kabir: ১০০০ কোটির ডিল, ৩০০ কোটি অ্যাডভান্স, হুমায়ুন কবীরের ভিডিও 'ফাঁস' করল তৃণমূল
Humayun Kabir Viral Video: হুমায়ুন কবীরের ভিডিও ফাঁস করল তৃণমূল। ১০০০ টাকার ডিল বলে অভিযোগ। তদন্তের দাবি।

কলকাতা: হুমায়ুন কবীরের ভিডিও 'ফাঁস' করল তৃণমূল। হুমায়ুন ১০০০ কোটি টাকার ডিল করেন, যার মধ্যে ৩০০ কোটি টাকা অ্যাডভান্স দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেই নিয়ে ইডি-র তদন্ত দাবি করল তৃণমূল। (Humayun Kabir Video)
তৃণমূলের তরফে যে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে কোনও একজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে হুমায়ুনকে। সামনের জনের চেহারা দেখা যাচ্ছে না। শুধু হুমায়ুনকে দেখা যাচ্ছে। তবে দু’জনের কথোপকথন স্পষ্ট। (West Bengal Assembly Elections 2026)
এবিপি আনন্দ ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি। তবে ভিডিও-য় কথোপকথন ছিল এমন-
হুমায়ুন: আমার কাজটি তখন হবে, যখন আমার কাছে ১০০০ কোটি টাকা থাকবে।
ব্যক্তি ১: ১০০০ কোটি টাকা?”
হুমায়ুন: আপনার থেকে যেই ১০০০ কোটি টাকা চাইছি, আমি ৩০০ কোটি টাকা রেখে দেব।বিহারে নীতীশ কুমার ঠিক যা করেছিল।
ব্যক্তি ১: হ্যাঁ।
ব্যক্তি ১: মুসলিমরা খুব ভোলাভালা। সাদাসিধে প্রকৃতির হয়।
হুমায়ুন: (হাসতে হাসতে) হ্যাঁ, ওদের বোকা বানানো খুব সহজ কাজ একটা।
হুমায়ুন: আজকের দিনে ১০০টা মুসলমানকে আমার ব্যাপারে খারাপ কথা বললে আপনাকে মেরে দেবে। করে দেখে নিন।
ব্যক্তি ১: আপনি মুসলমানদের ইমোশনটা ধরে ফেলেছেন।
ব্যক্তি ১: বাবরি মসজিদের পুরো ইমোশনটা ধরে ফেলেছেন আপনি।
হুমায়ুন: জেনে শুনেই তো এটা তুলেছিলাম। আমাকে অনেকে বলেছিল বাবরি মসজিদ নামটি ছেড়ে দাও। অন্য কোনও নামে মসজিদ করো। কিন্তু অন্য় নামে মসজিদ করলে আবেগটা আর থাকত না।
হুমায়ুন: বিরোধী দলনেতার সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল।
ব্যক্তি ১: শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে?
হুমায়ুন: হ্যাঁ, শুভেন্দু অধিকারী বলল, আপনি দিল্লি যান ২২ তারিখের পর। আমিও যাব আপনার সঙ্গে। আলাপ করিয়ে দেব। সেন্ট্রাল লিডারশিপের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেব। এর পর সরাসরি…ওই মোহন যাদবজী আছেন না! মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর সঙ্গে আমার কানেকশন থেকে গিয়েছে। জানান, 'PMO-র সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। আপনার সঙ্গে কানেকশন রাখতে…'
ব্যক্তি ১: মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আপনার সঙ্গে কথা বলেছে?
হুমায়ুন: হ্য়াঁ।
ব্যক্তি ১: না, আমরা বেবেছিলাম অসমের মুখ্যমন্ত্রী আপনার সঙ্গে আছেন।
হুমায়ুন: অসমের মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্বে আছেন। কিন্তু পরবর্তী কালে PMO মোহন যাদবজীকে আমার সঙ্গে কথাবার্তা চালাতে বলে। দু’জনেই আমার সঙ্গে কথা বলে। বিজেপি ১০০ থেকে ১১০ বা ১২০ পর্যন্তই যেতে পারবে। কিন্তু আপনারা ১৪৮ আসন পাবেন না। যতবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা হয়েছে, ওঁকেও আমি একই কথা বলেছি। শুভেন্দু অধিকারীও মেনে নিয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মোহন যাদবের কথা হয়েছে। আপনি যদি ৭০-৮০টি আসনে জিতে যান, তাহলে ডায়রেক্ট আপনাকে ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে দেব।
ব্যক্তি ১: ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী?
হুমায়ুন: হ্যাঁ। শুভেন্দু অধিকারী আমাকে জানিয়েছিল, যে আমাকে দিল্লি নিয়ে যাবে আর বাংলার ইলেকশন যে হেড তার সঙ্গেও দেখা করাবে। মোহন যাদবজী আমাকে জানিয়েছিলেন, তিনি ডায়রেক্ট কথা বলেছেন PMO-র সঙ্গে আমাকে নিয়ে।
হুমায়ুন: আর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, অসমের মুখ্যমন্ত্রী, উনিও জানেন। PMO থেকেই ওঁদের বলা হয়েছিল আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে। দিল্লিতে মধ্যপ্রদেশ ভবনে আমাকে তাই ডাকা হয়েছিল দেখা করতে। কোনও বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হলেও আমার অসুবিধে নেই।
ব্যক্তি ১: তার মানে ভোট পর্যন্ত আপনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভিতরে ভিতরে যোগাযোগ রাখবেন, আর বাইরে গালি দেবেন।
হুমায়ুন: হ্যাঁ, এটা তো আমি কথা বলেই রেখেছি শুভেন্দুর সঙ্গে। শুভেন্দু নিজেই আমার ব্যাপারে বাজে কথা বলছে। কাল, পরশুই বলেছে যে ‘আমাকে মুখ্যমন্ত্রী হতে দাও একবার, আমি হুমায়ুন কবীরকে আটকে দেব। আমি বাবরি মসজিদ তৈরি হতে দেব না’। এটা তো বলাই উচিত। আমার এটাতে কোনও অসুবিধে নেই।




















