West Bengal Election 2026: বুথের ভিতরে জমায়েত হলেই সিগন্যাল যাবে নির্দিষ্ট জায়গায়! ভোটে ব্যবহৃত AI ক্যামেরার বৈশিষ্ট্য কী কী?
Special Features of AI Camera: ছোট্ট এই ক্যামেরার রয়েছে এমন কিছু বিশেষত্ব, যা বুথের ভিতরে কোনওরকম বেনিয়ম রুখতে সক্ষম

কলকাতা: এবারের ভোটে একাধিক নজিরবিহীন ছবি দেখছেন সাধারণ মানুষেরা। তা সে মোটরবাইক সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা হোক বা ৯৬ ঘণ্টা আগে রাজ্যের সমস্ত মদের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হোক.. এবারের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে, নির্বাচন কমিশন এমন অনেক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে, যেগুলি নজিরবিহীনই বলা চলে। আর সেই সমস্ত পদক্ষেপগুলিকে দেখলেই বোঝা যায়, এবার এই রাজ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে বন্ধপরিকর কমিশন। আর এবারে নির্বাচন কমিশন যে যে প্রযুক্তিগুলি ব্যবহার করছে, তার মধ্যে অন্যতম হল AI ক্যামেরা।
প্রতি বুথে বিশেষ AI ক্যামেরা, কী বৈশিষ্ট এর?
কী এই AI ক্যামেরা? ছোট্ট এই ক্যামেরার রয়েছে এমন কিছু বিশেষত্ব, যা বুথের ভিতরে কোনওরকম বেনিয়ম রুখতে সক্ষম। আগে প্রত্যেক বুথে CCTV ক্যামেরা লাগানো থাকত। তবে এবারের বুথে যে ক্যামেরাগুলি রাখা হচ্ছে, সেখানে রয়েছে বিশেষ কিছু ব্যবস্থা। প্রথমত, এবার বুথে ক্যামেরার সঙ্গে সঙ্গে লাগানো হয়েছে বিশেষ যন্ত্র যেখান থেকে শুধু ছবি নয়, শোনা যাবে কথাও। অর্থাৎ বুথের ভিতরে কী কী কথা হচ্ছে, তার সমস্তটাই থাকবে নজরদারির আওতায়।
এই ক্যামেরার দ্বিতীয় বিশেষত্ব হল, রাতের স্পষ্ট ছবি আসবে। পরিষ্কার ছবি আসার জন্য প্রয়োজন নেই দিবালোকের। বিশেষভাবে উন্নত এই ক্যামেরায় রাত্রিবেলাও ধরা পড়বে সমস্ত ছবি। এছাড়াও যদি ঘরের মধ্যে একাধিক লোক ঢুকে পড়ে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জানান দেবে এই ক্যামেরা। জ্বলে উঠবে বিশেষ আলো! বার্তা চলে যাবে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধির কাছে! এর ফলে নির্বাচন কমিশনের যে দফতর থেকে ক্যামেরার মনিটারিং করা হচ্ছে, সেখানে পৌঁছে যাবে বার্তা। পাশাপাশি, বুথের বাইরেও থাকবে AI নিয়ন্ত্রিত ক্যামেরা। একাধিক ব্যক্তি ভিড় জমালে এই ক্যামেরাও নির্বাচন কমিশনের কাছে বার্তা পাঠিয়ে দেবে। প্রত্যেক বুথে থাকবে সেন্ট্রাল ফোর্স।
বুথে মুভিং ক্যামেরা, রেকর্ড হবে অডিও-ভিডিও!
প্রায় প্রত্যেক বুথেই থাকছে মুভিং ক্যামেরা। এর ফলে বুথের ভিতরের সমস্ত মুভমেন্ট রেকর্ড হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যামেরার সঙ্গে তার দিয়ে যুক্ত থাকছে স্পিকার। এর কাজ, বুথের ভিতরের যাবতীয় কথাবার্তা রেকর্ড করা। অধিকাংশ বুথেই নিয়ম থাকছে যে, বাইরে খেতে যাওয়া যাবে না। ১০০ মিটারে চক বা সাদা রঙ দিয়ে দাগ কেটে ঘিরে দেওয়া হবে। প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর। বাইরে লাইন সামলাতে ব্যবহার করা হবে পুলিশকে।




















