WB Assembly Election: বনগাঁয় প্রচারে বাধা বিজেপি প্রার্থীকে, তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে উঠল মারধরের অভিযোগ
West Bengal Assembly Election 2026: এদিন সকালে পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: প্রচারে বাধার মুখে বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক ও বিজেপি প্রার্থী। বনগাঁর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারে 'বাধা'র মুখে বিজেপি। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া ও বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হন তৃণমূল কাউন্সিলর। মারধরের অভিযোগ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাই রাহা ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে বনগাঁ থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপি প্রার্থীর।
স্থানীয় সূত্রে খবর এদিন সকালে পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপির অভিযোগ, অশোক কীর্তনীয়ার অভিযোগ প্রচার করবার সময় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর পাপাই রাহা সহ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিজেপি কার্যকর তাদের উপরে শারীরিক নির্যাতন করে। মতুয়া গোসাইয়ের আচার মালা ছিড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে। এই অভিযোগ তুলে বনগাঁ থানার সামনে রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছে বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে অশোক কীর্তনীয় জানিয়েছেন, ''তৃণমূলের কাউন্সিলর পাপাই রাহা ও তাঁর ছেলেরা মিলে আমাকে বাজেভাবে তপসিলী ও নিচু ভাষায় আমাকে আক্রমণ করেছে। আমার সঙ্গে কিছু মতুয়া লোকজন ছিল। তাঁদের আক্রমণ করা হয়েছে। আমার গলার মালাও ছিড়তে গিয়েছিল, কিন্তু সেন্ট্রাল ফাের্স ছিল বলে আমার কাছে আসতে পারেনি। আজকে সব মতুয়াদের কাছে আমার একটাই বার্তা যে এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই হার্মাদদের বিরুদ্ধে তপসিলী ধারায় যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।''
যদিও পালটা সেন্ট্রান ফোর্স ও বিজেপির প্রার্থীর দিকেই আঙুল তুলেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর পাপাই রাহা। তিনি বলেন, ''এলাকার মানুষ তাঁদের বিধায়কের কাছে প্রশ্ন করতেই পারে। এদিন আমি ঘটনার শুরুতে এলাকায় ছিলাম না। পরে জানতে পারি যে এখানকার মহিলাদের অশোক কীর্তনীয়ার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে পাঁচ বছর তাঁকে এলাকায় দেখা যায়নি, এখন ভোটের সময় কেন তিনি ভোট চাইতে এসেছেন। সেই মহিলাদের ওপর অশোক কীর্তনীয়া, সেন্ট্রাল ফোর্স ও প্রশাসনের কিছু অংশের সাহায্যে মারধর করেছে। ২৯ তারিখ গণতন্ত্রাতিকভাবে মানুষ সবকিছুর জবাব দেবেন।"
সেরা শিরোনাম




















