WB Assembly Election 2026: ভোট সংক্রান্ত সমস্যা? টোল ফ্রি নম্বরে জানাতে পারবেন নির্বাচন কমিশনকে, জেনে নিন ইমেল আইডিও
West Bengal Assembly Election 2026: ভোটের সময় নানারকম সমস্যার মুখে পড়তে হয় সাধারণ ভোটারদের। এজেন্টদের বাধা, হুমকিরও সামনে পড়তে হয়। অনেক জায়গায় তো ভোট দিতেই দেওয়া হয় না।

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন যাতে বাংলায় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটারদের সুবিধার্থে টোল-ফ্রি নম্বর চালু করল কমিশন। নিজেদের এলাকায় অশান্তি বা আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যে কোনও সমস্য়া দেখা দিলে সেই বিষয়ে এই টোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করেই নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি জানাতে পারবেন ভোটাররা। শুধু নম্বরেই নয়, কমিশনের তরফে একটি ইমেল আইডিও দেওয়া হয়েছে। সেখানে মেল করেও জানানো যাবে সমস্য়ার কথা বা অভিযোগ।
ভোটের সময় নানারকম সমস্যার মুখে পড়তে হয় সাধারণ ভোটারদের। এজেন্টদের বাধা, হুমকিরও সামনে পড়তে হয়। অনেক জায়গায় তো ভোট দিতেই দেওয়া হয় না। এবার আর তার জন্য ভয়ের সম্মুখিন হতে হবে না। ১৯৫০, কমিশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই টোল-ফ্রি নম্বরটি আগে থেকেই রয়েছে। কিন্তু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে আলাদা নম্বর চালু করা হয়েছে। যেটি হল ১৮০০৩৪৫০০০৮। আর যে ইমেল আইডিটি খোলা হয়েছে, সেটি হল wbfreeandfairpolls@gmail.com।
এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ''রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। আমরা এখনও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ পাচ্ছি বিভন্ন জায়গা থেকে। সেই কারণেই আমরা একটি আলাদা টোল-ফ্রি নম্বর এবং ইমেল আইডি চালু করেছি। ভোটাররা যে কোনও সময় সেখানে অভিযোগ জানাতে পারেন। অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।''
কমিশনের তরফে ইতিমধ্য়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা রুট মার্চ শুরু করে দিয়েছে। সব জেলার তিন জন প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক ও কলকাতার দুই নির্বাচনী জেলা আধিকারিক বৈঠকে ছিলেন।
ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের তরফে কড়া কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই কার্যত ছুটি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত আটকে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ছাপ্পা ভোট যাতে না হয়, তার দিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছ।
সাংবাদিক বৈঠের মাধ্যমে টোল ফ্রি নম্বর চালু করা ও ইমেল আইডি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকেই সাধারণের উদ্দেশে বার্তা দেন। বুথ দখল, সোর্স জ্যামিং, ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রতিপক্ষ দলের পোলিং এজেন্টদের হয়রানির মাধ্যমে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত করার কোনও ঘটনা যদি ঘটে, আর তার জন্য যদি কেউ অভিযুক্ত হন। কারো দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




















