Anubrata Mondal: "দেখুন একটা কথা বলি, চাকরির কথা বলবেন না...", উন্নয়ন কি সত্যিই রাস্তায় দাঁড়িয়ে! কী বললেন অনুব্রত মণ্ডল?
West Bengal Assembly Election 2026: কোন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে? তৃণমূলের দপুটে নেতার বক্তব্য, "উন্নয়ন এখনও রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। এখনও বলছি উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।"

দীপক ঘোষ, বীরভূম: প্রচারে বেরিয়ে অনুব্রতই মণ্ডলের মুখে একটাই কথা, বিজেপি বাঙালিকে ঘেন্না করে। তিনি বলছেন, "বাঙালিকে যদি তারা ঘেন্না না করে, তাহলে বাঙালির প্রতি অবিচার কেন করছে বিজেপি?" এরপরই তাঁর মুখে শোনা যায় ২ লক্ষ কোটি টাকার কথা। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, "ওরা কেন ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখে দিয়েছে? আবার যোজনার বাড়ি কেন বন্ধ করে দিল?"
হিসাব দেওয়া হয়নি কথাটা একেবারে বাজে কথা, বলছেন বীরভূমের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা। "বলতে হয়, তাই বলে দেয়", বলছেন অনুব্রত। কিন্তু কোন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে? তৃণমূলের দপুটে নেতার বক্তব্য, "উন্নয়ন এখনও রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। এখনও বলছি উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।" একসময় বীরভূমের রাজনীতি সরগরম হয়েছিল এই 'উন্নয়ন' শব্দ নিয়ে। বিখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ লিখেছিলেন একটি কবিতা। কবিতাটি-
"সবাই শুধু মিথ্যে রটায়,
পথগুলি সব দেদার খোলা।
যার খুশি আয় বিরুদ্ধতায়।
যথার্থ এই বীরভূমি।
উত্তাল ঢেউ পেরিয়ে এসে
পেয়েছি শেষ তীরভূমি।
দেখ খুলে তোর তিন নয়ন
রাস্তা জুড়ে খড়্গ হাতে
দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন।"
রাস্তাঘাটের অবস্থা নিয়ে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলছেন, রাস্তাঘাটের অবস্থা খুব খারাপ, এটা বাজে কথা। সাধারণ মানুষের থেকে খোঁজ নিন, ৩৪ বছর কী রাস্তা ছিল আর এখন কী রাস্তা হয়েছে। এরা বলে দেবে"।
চাকরির কথা শুনেই অনুব্রত মণ্ডল বললেন, "চাকরির কথা বললেন না। ইউপিতে কোনও চাকরি নয়। ইউপির লোকরা এখানে ইন্টারভিউ দিতে আসে। বিহারে কোনও চাকরি নেই। এখানে ইন্টারভিউ দিতে আসে। আসামে কোনও চাকরি নাই। এখানে ইন্টারভিউ দিতে আসে।" কিন্তু এখানে কোন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে আসেন তাঁরা? অনুব্রত মণ্ডলের সাফ জবাব, "সব চাকরির ইন্টারভিউ। স্কুল মাস্টারি থেকে গ্রুপ ডি, সব চাকরিই।" তিনি আরও বলেন, "হাসপাতালের অবস্থা আগের থেকে অনেক ভাল। মেডিক্যাল কলেজগুলোর অবস্থা অনেক ভাল। লাইব্রেরির অবস্থাও অনেক ভাল।"
"ঝাড়খণ্ডের বেশিরভাগ মানুষই পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসা করাতে আসে", বলছেন বীরভূমের দপুটে তৃণমূল নেতা। এবারে তিনি আশা করছে তৃণমূল আগের থেকে ভাল ফলাফল করবে। এমনকি সিটের সংখ্যা আরও বাড়বে। কিন্তু SIR-এর ভোট কেমন প্রভাব পড়ওবয়ে? অনুব্রত মণ্ডলের গলায় শোনা গেল সাবধানী কথা। তিনি বললেন, "ওখানে প্রথম বাদ যাওয়া ৫৮ লাখ তো মৃত ও স্থান বদল করেছেন এমন ভোটার। আর তারপর বাদ গেল ২৭ লাখ। ওতে কী হবে?" এতে তেমন কোনও ফারাক পড়বে না বলেই মনে করছেন অনুব্রত মণ্ডল।
"আমরা ঠিকই আছি। আমাদের কোনও উদ্বেগ নেই। উদ্বেগ তো ওদের। অমদেবর গায়েও লাগে না। জ্বরও আসে না", বলছেন বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডল।
সেরা শিরোনাম





















