Election Commission: কেন ভোটের ২দিন আগে বাইকে নিষেধাজ্ঞা? হাইকোর্টে যা জানাল কমিশন...
হাইকোর্টে ECI এর আইনজীবী বলেন, 'অনবরত অভিযোগ আসছে, বাইক চড়ে এসে হুমকি দেওযা হচ্ছে।'

কলকাতা: ভোটের ২ দিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে সাইলেন্ট পিরিয়ড। এই সময়কালে মোটর বাইক চলাচলের ওপরে রাশ টেনেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফ থেকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা।
বাইক-বিধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন। বিচারপতি বলেছিলেন, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে বলে যা খুশি করা যায় না। আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। ভোটের ৩ দিন আগে থেকে বাইকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল কেন? শুক্রবার তা হলফনামা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এদিন হাইকোর্টে ECI এর আইনজীবী বলেন, 'অনবরত অভিযোগ আসছে, বাইক চড়ে এসে হুমকি দেওযা হচ্ছে। বাইকে করে পালিয়ে যাওয়া, নাকা তল্লাশির এলাকা এড়িয়ে যাওয়া সহজ, সওয়াল ECI-এর আইনজীবীর। বলা হয়, 'যে ব্যক্তি বাইকের পিছনে বসে থাকে সেই অপরাধ বেশি করে থাকে। আইনের কোন ধারায় আপনারা এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন?' প্রশ্ন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের।
এদিন হাইকোর্টে সওয়াল ECI এর আইনজীবীর। বলা হয়, 'যাঁরা কাজে যাচ্ছেন, অফিসে যাচ্ছেন তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সাধারণ শ্রমিক তারা ID কার্ড কোথায় পাবেন?' ID card না দেখালে তো আপনারা ছাড় দেবেন না, মন্তব্য বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের।
নির্বাচনের দিন এই বিধিনিষেধ আরোপ করলে বোঝা যায়, এতো তাড়াতাড়ি কেন? প্রশ্ন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের। কমিশনের আইনজীবী বলেন, 'পুলিশ আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে, ব্যবহার করুন। কেউ যেন বাইক নিয়ে বুথের কাছে না যেতে পারে। রাজ্যে ভোটে হিংসার ইতিহাস আছে, সব তথ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি'। যান নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু বাইককেই কেন বাছলেন? প্রশ্ন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের।
রাজ্যর তরফে বলা হয়েছে, 'এই নির্দেশিকা জারি করার ক্ষমতার উৎস কোথায় সেটা কমিশন জানাতে পারেনি। আইন তৈরির ক্ষমতা ECI এর নেই। আইনের কোন ধারায় বাইক নিষিদ্ধ করা হল জানাতে পারেনি কমিশন।'




















