Gold Smuggling: উরুতে ক্রেপ ব্যান্ডেজ বেঁধে সোনা পাচার ! ১৪.৮ কেজি সোনা সহ গ্রেফতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী
Kannada Actress Ranya Rao: বিমানবন্দরের সমস্ত কড়া প্রহরার চোখে ধুলো দিয়েই এতদিন সোনা পাচার করে আসছিলেন তিনি। তবে এবার বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে ধরা পড়েন ১৪.৮ কেজি সোনার (Gold Smiggling) সঙ্গে।

বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকের এক সিনিয়র আইপিএস অফিসারের কন্যা তিনি, কন্নড় ছবিতে এক নামী অভিনেত্রী হিসেবেও সুপরিচিত। আর তিনিই এবার গ্রেফতার হলেন সোনা পাচারের অপরাধে। ভারতের বুকে এক বিরাট সোনা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই অভিনেত্রী। বিমানবন্দরের সমস্ত কড়া প্রহরার চোখে ধুলো দিয়েই এতদিন সোনা পাচার করে আসছিলেন তিনি। তবে এবার বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে ধরা পড়েন ১৪.৮ কেজি সোনার (Gold Smiggling) সঙ্গে। জানা গিয়েছে উরুতে ক্রেপ ব্যান্ডেজ বেঁধে তার নিচে সোনার বার শক্ত করে বেঁধে রাখতেন যাতে কেউ নজরও না করতে পারে। কন্নড় অভিনেত্রী রন্যা রাও (Ranya Rao) গ্রেফতার। বেঙ্গালুরুর কেম্পেগোড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত সোমবার রাত্রে তাঁকে গ্রেফতার করে বেঙ্গালুরু পুলিশ।
ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্সের অধীনে তাঁকে আটক করা হয়েছে, রন্যা রাওকে ইকোনমিক অফেন্সেস কোর্টে তাঁকে পেশ করা হয়েছে আর আদালতের রায়ে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখা হবে তাঁকে।
কে এই রন্যা রাও
২০১৪ সালে 'মাণিক্য' ছবিতে কন্নড় তারকা সুদীপের বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল রন্যাকে আর সেই ছবি থেকেই তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। এছাড়াও বহু দক্ষিণী ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে যে তিনি একাই এই সোনা পাচারের কাণ্ডারি নাকি আরও অনেকে যুক্ত রয়েছেন এই চক্রের সঙ্গে। মূলত তদন্তে উঠে এসেছে দুবাই থেকে ভারতে এই সোনা পাচার করা হত। পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ দিনে পরপর ৪ বার দুবাই ভ্রমণ করেছিলেন অভিনেত্রী রন্যা রাও আর এই ঘটনাই নজর কাড়ে পুলিশের। আর তারপরেই পরিকল্পনামাফিক সোমবার বেঙ্গালুরুতে নামতেই তাঁকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।
কর্ণাটকের এক প্রবীণ আইপিএস অফিসার কে রামাচন্দ্র রাওয়ের বৈমাত্রেয় কন্যা রন্যা রাও। তিনি এখন কর্ণাটক স্টেট পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশনে ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশের পদে আসীন আছেন। পিটিআই সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এমিরেটস বিমানে করে দুবাই থেকে সোমবার বেঙ্গালুরুর কেম্পেগোড়া বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছিলেন রন্যা রাও। এএনআই সংবাদমাধ্যমে তার বাবা ডিজিপি রামচন্দ্র রাও জানিয়েছেন, 'প্রথম এই খবরটা শুনে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। খুবই আঘাত পেয়েছিলাম আমি।'
আরও পড়ুন: YouTube: এই ধরনের ভিডিয়োর উপরে কড়া পদক্ষেপ করবে ইউটিউব, ক্রিয়েটরদের থাকতে হবে সতর্ক






















