Tollywood News: SIR শুনানিতে ডাক লাবণী সরকার, কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে, হাজিরা দিয়ে কী বললেন স্বামী-স্ত্রী?
Laboni Sarkar and Kaushik Banerjee: কবি থেকে ক্রিকেটার...নেতা থেকে অভিনেতা... SIR-শুনানিতে ডাক পেয়েছেন সকলেই।

কলকাতা: এবার SIR-শুনানিতে ডাক পেলেন তৃণমূলের অভিনেতা সাংসদ দেব (Dev)। শুনানির নোটিস পেয়েছেন তাঁর পরিবারের ৩ সদস্য়। ডাক পেয়েছেন ক্রিকেটার মহম্মদ শামিও (Mohammed Shami)। পাশাপাশি আজ শুনানিতে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী লাবণী সরকার (Laboni Sarkar) ও তাঁর স্বামী অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় (Kaushik Banerjee)। SIR শুনানির নোটিস পেয়েছেন কালিম্পং জেলার, লাভা ব্লকের BDO।
কবি থেকে ক্রিকেটার...নেতা থেকে অভিনেতা... SIR-শুনানিতে ডাক পেয়েছেন সকলেই। এবার সেই তালিকায় জুড়ল দেব থেকে মহম্মদ শামির নামও!ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ, অভিনেতা দেব, কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সূত্রের খবর,নথি-যাচাইয়ের পরীক্ষায় ডাক পড়েছে তাঁরও। শুনানির নোটিস পেয়েছেন দেবের পরিবারের ৩ সদস্য়। কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী দাস বলছেন, 'SIR-এ কোন কোন মানুষকে কাদের কাদের ডাকা হচ্ছে। এইভাবে যদি ডাকা হতে থাকে। দেবকেও ডাকা হয়েছে শুনেছি। এবার আমরা বলছি এখানে DNA পরীক্ষার জন্য বসিয়ে রাখতে হবে।'কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডেরই ভোটার, ভারতীয় পেসার মহম্মদ শামি।
সূত্রের খবর, SIR শুনানির নোটিস পেয়েছেন তিনিও। সোমবার, কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠ স্কুলে ছিল তাঁর শুনানি। যদিও, আপাতত শুনানিতে তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সোমবার শুনানিতে হাজিরা দেন অভিনেত্রী লাবণী সরকার ও তাঁর স্বামী, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়। SIR শুনানিতে হাজিরা দিয়ে অভিনেত্রী লাবণী সরকার বললেন, 'সাধারণ মানুষ হিসেবে আমাদেরকে সরকার ডেকেছে, আমরা এসেছি। কোনও সমস্যাই ছিল না। আমরা শুধু আসলাম, আমাদের একটা করে সই নিল এবং আমার সই দেখল।' কৌশিক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলছেন, 'আমার তো ভয়ের কোনও কারণ নেই। আমি আমজনতা, ভারতীয় নাগরিক। এটা একটা প্রক্রিয়া, এই প্রক্রিয়ায় নরমাল কোর্সে আমাকে ডাকা হয়েছে।' নির্বাচন কমিশন সূত্রে দাবি, কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের একাংশের এনুমারেশন ফর্মে কিছু ত্রুটি ছিল। সেজন্যই তাঁদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে।
SIR শুনানিতে ডাক পেয়েছেন, বাঁকুড়ার উপ মুখ্য় স্বাস্থ্য় আধিকারিক, সার্ভিস ডক্টর ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, সজল বিশ্বাসও। বাঁকুড়ার উপ মুখ্য় স্বাস্থ্য় আধিকারিক সজল বিশ্বাস বলছেন, 'এর থেকে দুর্ভাগ্য়ের আর কিছু হতে পারে না।কারণ, আমি ২০ বছর ধরে এই সরকারি চাকরি করছি। চূড়ান্ত স্বৈরতান্ত্রিক। চূড়ান্ত তুঘলকিকাণ্ড চলছে, আমাদের মতো ব্য়স্ততম মানুষ, তাদের হেনস্থা করা, নিঃস্ব, অসহায় মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক, তাদের হেনস্থা করা, এছাড়া কিন্তু আর কোনও উদ্দেশ্য় নেই। '






















