Lara Dutta Update: কী কারণে বিরক্ত হয়ে অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন লারা দত্ত?
'কৌন বনেগি শিখরবতী' ওয়েব সিরিজে লারা দত্তের সঙ্গে দেখা গিয়েছে সোহা আলি খানকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লারা দত্ত জানালেন, কোন সেই কারণ, যার জন্য অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন তিনি।

মুম্বই: বলিউডে বেশ কিছু বছর ধরে বিভিন্ন চরিত্রে দাপিয়ে অভিনয় করছেন লারা দত্ত (Lara Dutta)। কখনও সিরিয়াস চরিত্রে, কখনও কৌতুক চরিত্রে তাঁকে দেখা গিয়েছে। বলিউডের প্রথম সারির প্রায় সমস্ত অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। কিন্তু এত ভালো কেরিয়ার থাকার পরও কেন অভিনয় থেকে মাঝে অনেকটা বিরতি নিয়েছিলেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানালেন।
সদ্য কিছুদিন আগেই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে লারা দত্তের ওয়েব সিরিজ 'কৌন বনেগি শিখরবতী'। এই ওয়েব সিরিজে তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছে সোহা আলি খানকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লারা দত্ত জানালেন, কোন সেই কারণ, যার জন্য অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, 'আমি তখন তিরিশের কোঠায়। সেই সময় আমার মনে হল আমাদের ইন্ডাস্ট্রি এখনও কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। সেই সময় কোনও ছবিতে নায়িকাদের গ্ল্যামারাস চরিত্রের জন্য কাস্ট করা হত। হয় নায়কের প্রেমিকা নাহলে নায়কের স্ত্রী হিসেবে দেখা যেত নায়িকাদের। আমি এসবের কারণে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম।'
আরও পড়ুন - Ramesh Sippy Birthday: রমেশ সিপ্পির জন্মদিনে বিশেষ ছবি শেয়ার হেমা মালিনীর
২০০৩ সালে 'আন্দাজ' ছবি দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন লারা দত্ত। এরপর একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। তেতাল্লিশ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে 'নো এন্ট্রি', 'ভাগম ভাগ', 'হাউজফুল'-এর মতো একাধিক কমেডি ছবিতেও দেখা গিয়েছে। অভিনয় করেছেন অক্ষয় কুমার, গোবিন্দা, সলমন খানদের মতো তারকাদের সঙ্গে। লারা দত্ত বলেন, 'কমেডি ছবিতে আমি আমার অভিনয় দক্ষতা দেখিয়েছি। যা বক্স অফিসেও সফল হয় এবং দর্শকের মনেও জায়গা করে নেয়। নায়কের প্রেমিকা কিংবা স্ত্রীর চরিত্রের বাইরে গিয়েও আমি অভিনয় যে করতে পারি, তা দেখিয়েছি।'
'হাউজফুল' অভিনেত্রী আরও বলেন, 'পাশাপাশি সেই সময় আমার মেয়েও হয়ে গিয়েছে। আমার মেয়েকেও সময় দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। আর আমি ওই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে করতে বিরক্ত হয়ে অভিনয় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে ফের শুরু করি।' প্রসঙ্গত, লারা দত্তকে একাধিক ওয়েব সিরিজ দেখা যাচ্ছে।
Before You Go
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি






















