Rahul Banerjee Death: তালসারির এই ঘরটাই ছিল রাহুলের শেষ ঠিকানা, চায়ের কাপ থেকে বিছানায় পড়ে থাকা হ্যাঙ্গার... কিছুই সরায়নি হোটেল কর্তৃপক্ষ
Rahul Banerjee Death Case : রাহুলের শেষ স্মৃতিটুকু বাঁচিয়ে রাখতে ৪০০৫ নম্বর রুমটা এখনও একইরকম ভাবে রেখে দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ

সৌমিত্র রায়, কলকাতা: তালসারির সমুদ্রে শ্য়ুটিং করতে গিয়ে তলিয়ে মৃত্য়ু হয়েছে অভিনেতা-লেখক রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শ্য়ুটিংয়ের সময় তিনি যে হোটেলে ছিলেন, সেই রুমে এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাঁর স্মৃতি। চায়ের কাপ, টি ব্যাগ থেকে বিছানায় পড়ে থাকা হ্যাঙ্গার। কিছুই সরায়নি হোটেল কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন, "প্য়াক আপ হয়ে গেছিল..", তবু চলছিল ক্যামেরা ? কেন ? রাহুলের মৃত্যুর পর বড় প্রশ্ন
রাহুলের শেষ স্মৃতিটুকু বাঁচিয়ে রাখতে ৪০০৫ নম্বর রুমটা এখনও একইরকম ভাবে রেখে দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ
তালসারির হোটেলের এই ঘরটাই ছিল তাঁর শেষ ঠিকানা, এলোমেলো বিছানা, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বালিশ, চায়ের কাপ, ব্যবহারের টি ব্যাগ, সবই আছে। শুধু তিনি নেই। দিঘার তালসারিতে শ্যুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে মৃত্য়ু হল অভিনেতা-লেখক রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর শেষ স্মৃতিটুকু বাঁচিয়ে রাখতে ৪০০৫ নম্বর রুমটা এখনও একইরকম ভাবে রেখে দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। হোটেল মালিক সৌরভ চৌধুরী বলেন, 'রাহুল দা কি খাবেন না খাবেন পার্সোনালি আমাকে ফোন করে বলতেন। লোকে এই জায়গাটা এবং হোটেলটা পছন্দ করতেন বলেই এখানে শুটিং হয়েছে। রাহুল দা আমাকে পরশুদিন বলেছিলেন খিচুড়ি খাব, বেগুন ভাজা খাব আলু সেদ্ধ খাব।। আজকে যখন ওখানে গিয়েছিলাম আমাকে একটু মাছ খাওয়াস পরেরবার যখন আসবো আমাকে একটু ভেজ খাওয়াবি....।' হোটেলের ঘরের ব্যালকনিতে দাঁড়ালে চোখ আটকায় নীল সমুদ্রে। রবিবার এই সমুদ্র তটেই শেষবার শ্য়ুটিং করেছিলেন রাহুল। শেষ মুহূর্তের সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়।
"একুট যদি সুযোগ হত, ওকে বাঁচাতে পারতাম আমরা..."
পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বলেন, কেউ আমরা ভাবতে পারছি না, মেনে নিতে পারছি না যে রাহুল নেই। কলকাতার বাড়ি থেকে যখন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের রওনা দিয়েছিলেন তালসারিতে শ্যুটিং-এর জন্য। এই গাড়িতেই চালক বাবলু দাসের সঙ্গে কলকাতা থেকে রওনা দেন। চালক ফাঁকা গাড়ি নিয়ে রওনা হবেন। গাড়িতে লেখা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্য়ায়। প্রয়াত অভিনেতার গাড়ির চালক বাবলু দাস বলেন, আমরা বুঝে উঠতেই পারিনি। যে এরকম যে ঘটনা ঘটবে, কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। আর সেও (রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়) বুঝতে পারেনি, এরকম জলের গভীরতা এতটা, তার মধ্যে জোয়ার এসেছিল। একুট যদি সুযোগ হত, ওকে বাঁচাতে পারতাম আমরা। একদম সুযোগ দেয়নি।' রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় আর নেই। তবুও তিনি আছেন। চিরদিনই থেকে যাবেন তাঁর ছবিতে, তাঁর লেখায়..।























