Ram Charan: বিজয়-রশ্মিকার রিসেপশনে খালি পায়ে এলেন রামচরণ! নেপথ্যে রয়েছে বিশেষ কারণ?
Ram Charan at Vijay Rashmika Reception: কালো কুর্তা, পাজামা আর একটি রঙিন স্কার্ফে সেজেছিলেন রামচরণ। তাঁর সাজে তেমন কোনও বিশেষত্ব না থাকলেও, তিনি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন খালি পায়ে!

কলকাতা: উদয়পুরে স্বপ্নের বিয়ে, তারপরে হায়দরাবাদে রাজকীয় রিসেপশন.. বিজয় দেবরাকোন্ডা (Vijay Devrakonda) আর রশ্মিকা মন্দানা (Rashmika Mandhana)-র বিয়ে উপলক্ষ্যে এক ছাদের তলায় টলিউড, বলিউড। বুধবার হায়দরাবাদে রিসেপশনের আয়োজন করেছিলেন বিজয় আর রশ্মিকা। সেখানে কর্ণ জোহর, কৃতি শ্যানন থেকে শুরু করে সস্ত্রীক অল্লু অর্জুন ও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রশ্মিকা আর বিজয়ের রিসেপশনের বিভিন্ন ক্লিপিংস। আর সেখানেই নজর কেড়েছেন, রামচরণ!
কালো কুর্তা, পাজামা আর একটি রঙিন স্কার্ফে সেজেছিলেন রামচরণ। তাঁর সাজে তেমন কোনও বিশেষত্ব না থাকলেও, তিনি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন খালি পায়ে! সুবেশে এসেও দক্ষিণী অভিনেতার পা কেন খালি, সেই প্রশ্ন করেছিলেন অনেকেই। অনেকে মনে করেছিলেন এটাই তাঁর সাজের অংশ। অনেকে আবার মনে করেছিলেন, তিনি কোনও বিশেষ নিয়ম পালন করার জন্যই এইভাবে খালি পায়ে যাতায়াত করছেন। আসল কারণ কী?
রামচরণের এই কাজের পিছনে রয়েছে একটি বিশেষ ধর্মীয় কারণ! জানা যাচ্ছে, অভিনেতা এখন 'আইয়াপ্পা দীক্ষা'-র যাবতীয় নিয়মনীতি পালন করছেন। ভগবান আইয়াপ্পার ভক্তরা অনেকেই এই নীতি নিয়ম মেনে চলেন। এই ব্রতকে ভীষণ কঠিন কিন্তু খুবই পবিত্র ব্রত বলে মনে করা হয়। এই ব্রতের সময়, বেশ কিছু নিয়মকানুন খুব কড়াভাবে পালন করতে হয়। এই ব্রত যাঁরা পালন করছেন, তাঁদের কেবল নীল বা কালো রঙের পোশাক পরতে হয়। ৪১ দিন খালি পায়ে থাকতে হয়, কোনোরকম জুতো বা চটি ব্যবহার করা চলে না। যাঁরা এই ব্রত করছেন, তাঁদের ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয়। আমিষ খাবার খাওয়া যায় না এই সময়। মদ্যপান সহ কোনোরকম নেশা করা যায় না। চুল ও দাড়ি কাটা যায় না। শবরীমালা মন্দিরে যাত্রা করার আগে এই রীতি পালন করার নিয়ম রয়েছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রামচরণ 'আইয়াপ্পা দীক্ষা' পালন করেছিলেন। ২০২৩ সালে তাঁকে অস্কার অনুষ্ঠানের মঞ্চে খালি পায়ে দেখা গিয়েছিল।
এদির রামচরণ তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বিজয় আর রশ্মিকার রিসেপশনে এসেছিলেন। তাঁদের হাতে তুলে দেন বিশাল এক ফুলের তোড়া। এদিন সাবেকি সাজে সেজেছিলেন রশ্মিকা আর বিজয় ও। কালো পাড়ের সিঁদুররঙা শাড়ি পরেছিলেন রশ্মিকা। অন্যদিকে বিজয় পরেছিলেন সাদা সিল্কের কুর্তা ও ধুতি।
























