Sayantika Banerjee: 'মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে দেখলে আমি...', ঠাকুরপুকুরকাণ্ডে এবার মুখ খুললেন সায়ন্তিকা
Sayantika Banerjee on Thakurpukur Accident: সায়ন্তিকার পাশাপাশি ঠাকুরপুকুর কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বস্তিকাও

সমীরণ পাল, কলকাতা: কলকাতার ঠাকুরপুকুরকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে টলিউডের পরিচালক ও অভিনেত্রীর। আর এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন টলিউডের একাধিক অভিনেতা অভিনেত্রী। অনেকেই বলেছেন, 'এটা একটা কালো দিন'। অনেকে আবার দোষ দিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির সংস্কৃতির অবক্ষয়ের। আর এবার, এই বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সায়ন্তিকা বলেছেন, 'উনি যেই হোন না কেন, এই ঘটনাকে আমি সমর্থন করি না। আমি নিজে গাড়ি চালাই। কাউকে মদ্য অবস্থায় গাড়ি চালাতে দেখলে প্রতিবাদ করি।' এই ঘটনায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, মত্ত বুঝতে পেরেও কেন ওই পরিচালক নিজের হাতেই স্টিয়ারিং নিয়েছিলেন? কেন কোনও গাড়ি ভাড়া করতে পারলেন না তাঁরা? যাঁরা গাড়িতে সফর করছিলেন, কেন তাঁরাই বা বাধা দিলেন না?
অন্যদিকে স্বস্তিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, এতদিন জানতাম মদ্যপান করে গাড়ি চালানো ভীষণ গুরুতর একটা অপরাধ। ধরা পড়লে পুলিশ কোনও কথা শোনে না। কোনও রকম ক্ষমতা, পরিচিতি, ‘আমি কে জানো’, ‘আমি কার ছেলে জানো’ – এই ধরণের মন্তব্য কোনও কাজ করে না। সোজা হাজতবাস । কলকাতায় নাকি পুলিশ এই নিয়ে খুবই কড়াকড়ি করে। তাই জানি এবং তাই দেখেছি। কড়া নাকাবন্দি, চেকিং, গাড়িতে মহিলা থাকলেও কোনও আপোষ নয়।'
স্বস্তিকা আরও লিখেছেন, 'তাহলে এত মারাত্মক একটা ঘটনাতে সবাই কী করে জামিন পেয়ে গেল? যে মহিলা বাজার থেকে পালাল, তাকে নাকি ধরাই হয়নি। সে কে? তাকে ছেড়ে দেওয়া হল কেন? একটা ‘নো এন্ট্রি’ রাস্তায় ঢুকে একজন কে মেরে ফেলল, বাকি এতজন হাসপাতালে। এত রকম খবর ঘুরছে যে সঠিক কজন বোঝা দায়। কিন্তু একজন এর মৃত্যুটা কি মশকরা? এমনই নৈরাজ্য তার মধ্যে মদ খেয়ে এইভাবে এলোপাথাড়ি গাড়ি চালিয়ে লোককে মেরে ফেললেও যদি কোনও শাস্তি না হয়, এবং রাতারাতি জামিন পেয়ে তারা যে যার বাড়ি চলে গিয়ে শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ে তাহলে আর আইন বা ট্রাফিক আইনের কোনও দরকার নেই। যে যা ইচ্ছে তাই করবে, গাড়ি চাপা দেবে, খুন করবে, ধর্ষণ করবে তারপর কিছুই হবে না।
যার বাড়ির লোক সকালবেলা বাজার করতে এসে কারুর আমদের জন্য প্রাণ হারাল আর যারা হাসপাতালে জীবন নিয়ে লড়ছে তাদের দায় কার? তাদের জবাবদিহিকে করবে? তাদের কি হবে? সহ্যের করার একটা সীমা থাকে। সব গিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেছি আমরা। এদের বাঁচানোর ও লোক আছে? শাস্তি না পেলে এর শেষ কোথায়? গাড়ি যে চালাচ্ছিল এবং গাড়ি তে যে দুজন মহিলা ছিল তারা সমান দোষী। এদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাড়ার মধ্যে একদিন হেলমেট ছাড়া স্কুটিতে ওষুধ কিনতে গেছিলাম, পুলিশ আটকে দিয়েছিল। হাজার একটা কৈফিয়ত চাইল।মানুষ মেরে ফেলেছে যারা তাদের ব্যাপারে চুপ থাকলে তো হবে না। লোক বুঝে নিয়ম পাল্টালেও হবে না। মজা হচ্ছে নাকি! সবার জন্য নিয়ম একটাই। কঠোর শাস্তি।'






















