Anorexia Death : অনলাইন ডায়েটচার্ট নাকি মরণফাঁদ ! ৬ মাস শুধু জল খেয়ে মৃত্যু কিশোরীর
মডেলসুলভ চেহারা পেতে ফলো করছিলেন অনলাইনে পাওয়া একটি ডায়েটচার্ট। গত ৬ মাস ধরে অন্ধভাবে মেনে চলছিলেন সেই ডায়েট।

রোগা হতে চান নাকি ওজন বাড়াতে চান ? কিডনির অসুখ সারাতে চান নাকি ব্লাড সুগার কন্ট্রোলে রাখতে চান? ইন্টারনেট ঘাঁটলেই এখন পেয়ে যাবেন হাতে গরম 'একসে বড় কর এক'ডায়েট চার্ট। আর তন্বীতনুর পাওয়ার আশায় রোজই কত মানুষ যে এই অনলাইনে পাওয়া যাওয়া খাদ্যতালিকায় ভরসা রাখছেন, তার ইয়ত্তা নেই। যদিও তারা পড়তেই ভুলে যান, ডায়েটিশিয়ানদের সেই ডিসক্লেমারটি যে, ডায়েট চার্ট ব্যক্তি নির্ভর, প্রয়োগ করার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ করুন। এই ভুলটাই করে ছিলেন এক কিশোরী। তার সেই একটা ভুলের শেষ হল মৃত্যুতে ।
থ্যালাসেরির ১৮ বছরে কিশোরী শ্রী। মডেলসুলভ চেহারা পেতে ফলো করছিলেন অনলাইনে পাওয়া একটি ডায়েটচার্ট। গত ৬ মাস ধরে অন্ধভাবে মেনে চলছিলেন সেই ডায়েট। হয়ত তৃপ্তও হচ্ছিলেন রোগা হচ্ছেন দেখে। কিন্তু ধীরে তিনি যে মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন টের পাননি। ধীরে ধীরে 'অ্যানোরেক্সিয়া'য় ধরে তাঁকে। না খেতে খেতে তাঁর শরীরকে ধরে নেয় ক্ষয় রোগ। প্রায় ছয় মাস ধরে প্রায় কিছুই খাননি শ্রী নন্দা। তারপর একদিন এমনই অসুস্থ য়ে পড়েন কেরলে থ্যালাসেরি সমবায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে।
জানা গিয়েছে, গত ৬ মাস কিচ্ছুটি খাননি তিনি। শুধু জলের ওপরই বেঁচে ছিলেন তিনি। থ্যালাসেরি কো-অপারেটিভ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক ডাঃ নাগেশ মনোহর প্রভু জানান, প্রায় ১২ দিন আগে তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল । সরাসরি আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। এজন কমত কমতে হয়ে গিয়েছিল ২৪ কেজি, যা সাধারণত বাড়ন্ত শিশুদের হয়ে থাকে। বিছানা থেকে উঠতে পারছিলেন না শ্রী নন্দা। তাঁর সুগার লেভেল, সোডিয়াম এবং রক্তচাপ সবই ছিল নিম্নগামী। তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি, তারপর মৃত্যু হয়।






















