জম্মু-কাশ্মীরের বিভাজন ‘অবৈধ’, দাবি চিনের, ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য অনর্থক’, পাল্টা নয়াদিল্লি
বিদেশমন্ত্রকের তরফে পাল্টা জবাব দিয়ে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

নয়াদিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দুটি পৃথক কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চলে ভাঙার প্রক্রিয়াকে ‘অবৈধ ও অকার্যকর’ হিসেবে উল্লেখ করে ভারতের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করল চিন। বেজিংয়ের দাবি, চিনের কিছু অংশ নিজেদের বলে অন্তর্ভুক্ত করে তাদের ‘সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ’ জানিয়েছে ভারত। পাল্টা জবাব দিয়ে নয়াদিল্ল জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছিল গত ৫ অগাস্ট, যখন জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫এ অনুচ্ছেদকে বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা প্রত্যাহার করেছিল কেন্দ্র। এরপর, সংসদে পাশ হয় জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল। তার মাধ্যমেই রাজ্যকে ভেঙে দুটি পৃথক কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। এর আগে, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ এবং লাদাখ কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চল গঠনের বিরোধিতা করেছিল চিন। বেজিংয়ের দাবি ছিল, সেখানকার কিছু এলাকা চিনের অন্তর্ভুক্ত। বৃহস্পতিবার, চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র গেং শ্যুয়াং বলেন, ভারত সরকার সরকারিভাবে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ-- দুটি পৃথক কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চল গঠনের ঘোষণা করল, যার মধ্যে চিনের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর ঘোরতর নিন্দা ও বিরোধিতা করছে চিন। ভারত একতরফাভাবে নিজেদের দেশের আইন ও প্রশাসনিক ভাগ বদলে চিনের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। গেং যোগ করেন, এটা অবৈধ এবং অকার্যকর। আইন বদলের ফলে এই তথ্যের কোনও বদল হবে না যে, এলাকার কিছু অংশ চিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিনের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করার জন্য ভারতকে অনুরোধ করছে চিন। যাতে, দুদেশের সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকে।
চিনের এই দাবিকে সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে ভারত। এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে পাল্টা জবাব দিয়ে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এই ইস্যুতে ভারতের অবস্থান সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত চিন। রাজ্যের পুনর্গঠন একেবারেই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ফলত, অন্য দেশের এখানে মন্তব্য করা নিরর্থক। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার উল্টে বলেন, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে চিন।Weekly Media Briefing by the official spokesperson https://t.co/Hj3q0liBTA
— Raveesh Kumar (@MEAIndia) October 31, 2019






















