এক্সপ্লোর
নির্ভয়া মামলা: মৃত্যুদণ্ডের উপর স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের আবেদনের শুনানি, রায় দিল না দিল্লি হাইকোর্ট
দু’পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর রায় স্থগিত রাখে আদালত।

নয়াদিল্লি: নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির সাজা স্থগিত রাখার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি হলেও, কোনও রায় দিল না আদালত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘একবার যদি সুপ্রিম কোর্ট কোনও মামলার রায় দেয়, তাহলে পৃথকভাবে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া দু’জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যেতে পারে। যদি দোষী সাব্যস্ত হওয়া কোনও ব্যক্তি ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চায়, তাহলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে কোনও বাধা নেই। দোষীদের আর সময় দেওয়া উচিত নয়।’ সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে যদি কোনও আবেদনের বিষয়ে রায় না দেওয়া হয়, একমাত্র তাহলেই সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া অন্যদেরও সাজা কার্যকর করা যায় না। একজনের প্রাণভিক্ষার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে জবাব না এলে অন্যদের সাজা স্থগিত রাখা যায় না। নিম্ন আদালত এক্ষেত্রে ভুল করেছে। মুকেশ সিংহ আইনের অপব্যবহার করেছে। পবন গুপ্তর দু’টি আলাদা ক্ষমার আর্জি জানানোর সুযোগ ছিল। ও সাজা পাওয়ার ২২৫ দিন পরে ২০১৭ সালে রিভিউ পিটিশন দায়ের করে। ও এখনও কিউরেটিভ পিটিশন বা রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমার আর্জি জানায়নি। যদি নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে এবং পবন ক্ষমার আর্জি না জানায়, তাহলে কারও সাজাই কার্যকর করা যাবে না।’ মুকেশের আইনজীবী রেবেকা জন পাল্টা দাবি করেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মুকেশের ক্ষমাপ্রার্থনার অধিকার আছে। হাইকোর্ট ওকে পৃথকভাবে ফাঁসি দেওয়ার কথা বলতে পারে না। ও জঘন্যতম অপরাধ করলেও, আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে।’ দু’পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর রায় স্থগিত রাখে আদালত।
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















