Tamil Nadu Stampede News: প্রাইভেট প্লেনে চেপে বেরিয়ে যান রাতেই, কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হল ‘থলপতি’ বিজয়ের বাড়ি, জনরোষ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা
Thalapathy Vijay Rally Stampede: চেন্নাইয়ে বিজয়ের প্রাসাদোপম বাড়িটি এই মুহূর্তে কার্যতই দুর্গে পরিণত হয়েছে।

চেন্নাই: গতকাল রাত থেকে মৃত্যুমিছিল শুরু হয়েছে। কোথায় গিয়ে থামবে, এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না কেউ। সেই আবহেই অভিনেতা তথা রাজনীতিক ‘থলপতি’ বিজয়ের বাড়ির নিরাপত্তা আঁটোসাটো করা হল। বিজয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটলে কী হতে পারে, তা আঁচ করেই এমন ব্য়বস্থা। (Tamil Nadu Stampede News)
চেন্নাইয়ে বিজয়ের প্রাসাদোপম বাড়িটি এই মুহূর্তে কার্যতই দুর্গে পরিণত হয়েছে। বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্য পুলিশকে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বিজয়ের দল Tamilaga Vettri Kazhagam-এর জেলা সম্পাদকদেরও। মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। (Thalapathy Vijay Rally Stampede)
৫১ বছর বয়সি বিজয় অভিনয় থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন। আগামী বছর তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে DMK-কে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন বিজয়। সেই উপলক্ষেই গত কাল কারুরে বিরাট জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সরকারের তরফে ১০ হাজার মানুষের জমায়েতের অনুমোদন দেওয়া হলেও, ৫০ হাজারের বেশি মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।
শুধু তাই নয়, সকাল ১১টা নাগাদ সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বিজয় সন্ধে ৭টারও কিছু পরে, প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে জনসভায় পৌঁছন বলে অভিযোগ। বিজয়কে একঝলক দেখার আশায় দীর্ঘসময় যাঁরা অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের জন্য খাবার, জল, কিছুরই ব্যবস্থা ছিল না। তার উপর মাত্রাতিরিক্ত গরম। সভা চলাকালীন অনেকে অজ্ঞানও হয়ে যান।
পুলিশ সূত্রে খবর, সন্ধে ৭টার পর বিজয় ঢুকলে জন বিস্ফোরণ ঘটে কার্যত। সকলকেই তাঁকে ছুঁয়ে দেখতে, তাঁর কাছাকাছি পৌঁছতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। সেই ধাক্কাধাক্কিতেও অনেকে পড়ে যান। অজ্ঞান হয়ে যান অনেকে। সেই আবহেও বেশ কিছু ক্ষণ বক্তৃতা চালিয়ে যান বিজয়। যখন টনক নড়ে তাঁর, বাসের উপর থেকে জলের বোতল ছুড়ে দেন ভিড়ের দিকে। এতে আরও হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তাঁর কাছাকাছি পৌঁছতে মানুষজনকে মাড়িয়ে ছুটে যায় ভিড়। প্রিয়জনের হাত সরে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যান অনেকে। এমনকি ভিড়ের মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত ঢুকতে পারেনি।
গোটা ঘটনায় তিনি মর্মাহত বলে জানিয়েছেন বিজয়। নিহত ৪০ জনের পরিবারকে মাথাপিছু ২০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও ঘোষণা করেছেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ঘিরেও নানা অভিযোগ সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, চারিদিকে যখন হাহাকার, সেই অবস্থায় সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান বিজয়। ত্রিচী বিমানবন্দর থেকে প্রাইভেট বিমানে চেপে নিজের বাড়ি চলে যান তিনি।






















