Afghanistan Crisis Live Updates : কাবুলে ভারতীয় দূতাবাস প্রহরায় আইটিবিপি-র সশস্ত্র রক্ষীরা
আফগানিস্তানে চরম সংকট। দখল নিয়েছে তালিবানরা। দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন একের পর এক নাগরিক, সাংসদরা। দেখুন প্রতি মুহূর্তের আপডেট...

Background
রবিবার রাজধানী কাবুল দখল করেছে তালিবান। আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের দখল নিয়েছে তালিবান জঙ্গিরা। রবিবার তালিবান কাবুলে প্রবেশ করতেই দেশ ছেড়ে তাজিকিস্তানে পাড়ি দিয়েছেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘনি। তবে তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হামিদুল্লা মুহিব। তালিকায় নাম রয়েছে প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক অফিসের প্রধান ফজল মাহমুদ ফজলির।
আফগান মিডিয়া জানিয়েছে, তালিবান আগ্রাসনের জেরে আগেই দেশ ছেড়েছেন একাধিক সাংসদ। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছেন আফগান সংসদের অধ্যক্ষ মীর রহমান রহমানি। তাঁর সঙ্গেই ইসলামাবাদের রাস্তায় হেঁটেছেন ইউনুস কানুনি, মুহাম্মদ মুহাকেক, করিম খলিলি, আহমদ ওয়ালি মাসুদ ছাড়াও সাংসদ আহমেদ জিয়া মাসুদ।
আফগানিস্তান ত্যাগ করে ভারতে চলে এসেছেন সে দেশের বেশ কয়েক জন সাংসদ ও সরকারি আধিকারিকও। ভারত সরকার জরুরি বিমান পাঠিয়ে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনীর C-17 গ্লোবমাস্টার সামরিক পরিবহন বিমানকে ব্যবহার করছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আফগানিস্তানের উন্নয়নের ওপর নজর রাখছে ভারত। কাবুলে অবস্থিত ভারতের দূতাবাস থেকে ভারতীয় নাগরিকদের পাশাপাশি তার কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সহ সব ধরনের ব্যবস্থা প্রস্তুত করছে।
সূত্রের খবর, ভারত তাঁর কর্মীদের জীবন এবং কাবুলে নাগরিকদের জীবনকে কোনো ঝুঁকিতে ফেলবে না। তাঁদের জরুরিকালীন ভিত্তিতে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হলে ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সূত্রের তরফে এও জানান হয় ভারত সরকার আফগানিস্তানের সব পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
Afghanistan Crisis Live : উদবিগ্ন-চিন্তিত ভারত
আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত ভারত। আফগান পুরুষ, মহিলা, শিশুরা যেভাবে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন না নিয়ে উদবিগ্ন ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জে এমনটাই জানালেন সেখানে দেশের রাষ্ট্রদূত টিএস তিরুমূর্তি।
Afghanistan Crisis Live Updates : সশস্ত্র সেনারা ভারতীয় দূতাবাসের প্রহরায়
কাবুলে ভারতীয় দূতাবাস ও কূটনৈতিকদের প্রহরায় আইটিবিপি-র (ইন্দো-তিবেতিয়ান বর্ডার পুলিশ) সশস্ত্র সৈনিকরা। যতক্ষণ প্রয়োজন ততটা সময় পর্যন্ত কড়া প্রহরা বজায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে আধিকারিকদের পক্ষে।






















