Amit Shah : 'বিতর্ক শুরু হোক, কাল আমি সব জবাব দেব', যন্তর-মন্তর নিয়ে সংসদে উত্তর দিতে তৈরি শাহ
অমিত শাহ বললেন, সব প্রশ্নের উত্তর দেব। নরেন্দ্র মোদির সরকারে লোকানোর কিছু নেই। সংসদে আলোচনার জন্য সময় বেঁধে দিলেন শাহ।

নয়া দিল্লি : 'কোথায় অমিত শাহ ? দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় ? তাঁকে জবাব দিতে হবে - দিল্লির ছাত্রবিক্ষোভে ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিল ? কার নির্দেশে লাঠি চার্জ হল? ' - যন্তরমন্তরের ঘটনার পর থেকেই এই দাবিতে সরব বিরোধীরা। বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভের জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায়। যন্তর-মন্তরে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের অত্যাচারের অভিযোগ তুলে অমিত শাহের বিবৃতি দাবি করেছিলেন বিরোধী সাংসদরা। অবশেষে অমিত শাহ বললেন, সব প্রশ্নের উত্তর দেব। নরেন্দ্র মোদির সরকারে লোকানোর কিছু নেই। সংসদে আলোচনার জন্য সময় বেঁধে দিলেন শাহ।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন বলেন, "আমি বিরোধী দলগুলিকে বলছি, দুপুর ২ টোর মধ্যে স্পিকারকে চিঠি জমা দিন , আমরা বিকেল ৩টা থেকে আলোচনা শুরু করব এবং আমি আগামীকাল বিকেল ৩টেয় সবকিছুর উত্তর দেব । সংসদীয় আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতি রয়েছে। তবুও, কেউ কেউ আমাকে শুধু বিবৃতি দিতে বলছেন। এত গুরুতর একটি বিষয়ে সেভাবে আলোচনা করা যায় না। সেটা আপনাদের পদ্ধতি হতে পারে, কিন্তু এটা সংসদীয় রীতি নয়। সংসদে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়। আজ বিকেল ৩টা থেকে বিতর্ক চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত আমরা। গভীর রাত পর্যন্ত বসে , তারপর আগামীকাল বিকেল ৩ টে পর্যন্ত আলোচনা চলুক।'
শাহ আরও বলেন, 'আমি নিজে পুরোটা সময় থাকব, সবকিছুর নোট নেব এবং প্রতিটি বিষয়ের জবাব দেব যাতে পুরো বিষয়টি দেশের মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, যাতে সত্য সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়। এখন, বিরোধী দলকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা আলোচনায় অংশ নিতে চায় নাকি অচলাবস্থা তৈরি করতে চায়।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব শুনে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধীর প্রতিক্রিয়া, 'অমিত শাহের কল্পনার কথা শুনতে আমরা আগ্রহী নই। ওঁর সঙ্গে আলোচনা বা ওঁর বক্তৃতায় আমাদের আগ্রহ নেই।' তিনি আরও বলেন, 'আমি এই দেশের তরুণ প্রজন্মের কথা বলছি। ছাত্রদের গুলি করেছিল কে? পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে ছাত্রদের মারার আদেশ কে দিয়েছিল? আমাদের ছেলেমেয়েদের গুলি করার এই আদেশ কি অমিত শাহ দিয়েছিলেন? যদি তিনি দিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। গত ২০ দিন ধরে অমিত শাহ নিখোঁজ। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাহস নেই ... তিনি বিধানসভায় আসতে পারেন না। '






















