Asim Munir : সেনা প্যারেডে ডাক পাননি, কিন্তু আজ ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে আসিম মুনির, কী নিয়ে কথা?
মুনিরকে ‘ইসলামাবাদের কসাই’ বলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন আমেরিকাবাসী পাকিস্তানিরা। এই ডামাডোলের মধ্যে এবার নাকি সত্যি সত্যিই ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তিনি।

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে আমেরিকায় গিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। মুনিরের এই সফর ঘিরে শুরু থেকেই নানা রকম ধোঁয়াশা। প্রথমে বলা হচ্ছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী সেনা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন পাক সেনাপ্রধান। পরে অবশ্য হোয়াইট হাউস জানিয়ে দেয় এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি মুনিরকে। পরে পাক সংবাদমাধ্যম দাবি করে, সেখানে কূটনৈতিক আলোচনা করতে গিয়েছেন মুনির। এরই মধ্যে মুনিরকে ‘ইসলামাবাদের কসাই’ বলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন আমেরিকাবাসী পাকিস্তানিরা। এই ডামাডোলের মধ্যে এবার নাকি সত্যি সত্যিই ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তিনি।
জানা যাচ্ছে, বুধবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের রুদ্ধদ্বার মধ্যাহ্নভোজ করার কথা রয়েছে । ক্যাবিনেট রুমে দুজনের কথাবার্তা হতে পারে। তবে পুরো বিষয়টাই হবে রুদ্ধদ্বার। সেখানে সং বাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নেই। ট্রাম্প এবং আসিম মুনিরের মধ্যে বৈঠকটি হোয়াইট হাউসের ক্যাবিনেট রুমে দুপুর ১টা নাগাদ হতে পারে। সূত্রের খবর,এরপর মুনির মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন।
এর আগে গুঞ্জন ছিল যে পাকিস্তানি ফিল্ড মার্শাল মার্কিন সেনা দিবসের কুচকাওয়াজে যোগ দেবেন। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই খবর মিথ্যা। কোনও বিদেশী সামরিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ওই অনুষ্ঠানে।
মুনিরের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরকালীনই আমেরিকায় পাক দূতাবাসের সামনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিক্ষোভ দেখান সেখানে বসবাসকারী পাক নাগরিকরা। স্লোগান ওঠে ‘ইসলামাবাদের কসাই’ বলে। প্ল্যাকার্ডে মুনির বিরোধী নানা রকম স্লোগান ও মন্তব্য লেখা হয়। তাঁর উদ্দেশে 'গিদাদ, গিদাদ, গিদাদ' বলে চিৎকার করেন বিক্ষোভকারীর। এঁরা বেশিরভাগই ইমরান খানের সমর্থক বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কী বিষয়ে কথা হয় মুনিরের, সেদিকেই চোখ বিশ্বের একটা বড় অংশের। কারণ পহেলগাঁও হামলার পর ভারত যখন জঙ্গিঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে ফেলতে'অপারেশন সিন্দুর'অভিযান চালায় , তখন পাকিস্তান ড্রোন-হামলার চেষ্টা করে, সীমান্তে গোলাগুলি ছুড়তে থাকে। ৪ দিনে ভারত পাকিস্তান সংঘাত তীব্র জায়গায় পৌঁছানোর পর সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা হয়। সেই খবর প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, তাঁর মধ্যস্থাতেই এটা সম্ভব হয়েছে। যদিও ভারত কোনওদিনই এই দাবিকে মান্যতা দেয়নি। এখন এই পরিস্থিতিতে মুনিরের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকে নজর থাকবে কূটনীতিকদের।






















