এক্সপ্লোর
হিটলার, ফ্যাসিবাদী দর্শনের সঙ্গে ‘সমার্থক’! ‘জাতীয়তাবাদ’ শব্দটা না বলাই ভাল, খেদ ভাগবতের
ভাগবত আরও বলেন, আমাকে বলা হয়, ‘দেশ’ শব্দটা চলতে পারে, ‘জাতীয়’ শব্দটা ঠিক আছে, ‘জাতীয় পরিচয়’ (ন্যাশনালিটি) ও চলবে, কিন্তু ‘জাতীয়তাবাদ’ বলা চলবে না। কেননা তা হিটলার, নাত্সিবাদ, ফ্যাসিবাদের সমার্থক।

রাঁচি ( ঝাড়খন্ড): আজকাল ‘জাতীয়তাবাদ’ কথাটার খুব ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে, তাকে বোঝার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। তাই ‘জাতীয়তাবাদ’ এর পরিবর্তে কোনও বিকল্প শব্দ ব্যবহার করাই ভাল। এমনই অভিমত মোহন ভাগবতের। রাঁচিতে আরএসএসের এক অনুষ্ঠানে সঙ্ঘ প্রধান জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক ব্রিটেন সফরে তিনি বলেছেন, কিছু ইংরেজি শব্দ তাদের প্রচলিত অর্থকে এখন আর বোঝায় না, জাতীয়তাবাদ এমনই একটি শব্দ। বর্তমানে ‘জাতীয়তাবাদ’কে প্রায়ই নাত্সি বা ফ্য়াসিবাদী দর্শনের সমান বলে দেখানো হয়, বলা হয় জাতীয়তাবাদ আর ফ্য়াসিবাদী, নাত্সি দর্শন সমার্থক। ভাগবত আরও বলেন, ব্রিটেনে আমাকে বলা হয়েছিল, ‘দেশ’ শব্দটা চলতে পারে, ‘জাতীয়’ শব্দটা ঠিক আছে, ‘জাতীয় পরিচয়’ (ন্যাশনালিটি) ও চলবে, কিন্তু ‘জাতীয়তাবাদ’ বলা যাবে না। কেননা তা হিটলার, নাত্সিবাদ, ফ্যাসিবাদের সমার্থক। ভারতকে গোটা দুনিয়ায় সুপারপাওয়ারে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করার সময় হয়েছে বলে জানান ভাগবত। ভারত কখনই অন্যের ওপর নিজের শক্তির অপপ্রয়োগ করবে না বলেও দাবি করেন। বলেন, আমাদের দেশকে বড় করে তুলতে হবে, সারা বিশ্বে সবার সেরা করতে হবে, ওয়ার্ল্ড ক্লাস করতে হবে। পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যারা একসময় সবার ওপরে বড় হয়ে উঠেছিল, কিন্তু আজ তারা কোথাও নেই। অবশ্য কেউ কেউ এখনও উপরে আছে। ভাগবত আরও বলেন, মৌলবাদের জেরে দেশব্যাপী অশান্তি মাথাচাড়া দিয়েছে, কিন্তু প্রতিটি ভারতীয় দেশের বৈচিত্র্য সত্ত্বেও পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে রয়েছেন কেননা আমরা হিন্দু শব্দটার সঙ্গে মিশে রয়েছি। ভারতের নীতি হল অন্যের দাস হবে না সে, কাউকে দাস বানাবেও না। প্রত্য়েককে একসূত্রে বাঁধার ক্ষমতা আছে ভারতের। ভারতের সংস্কৃতি হল হিন্দু সংস্কৃতি।
আরও পড়ুন






















