Bangladesh News: ফুটবল খেলছিলেন মহিলারা, মিছিল করে পৌঁছে গেলেন শতাধিক কট্টরপন্থী; বাংলাদেশে বাতিল ম্যাচ !
Football Match: জয়পুরহাট ও রংপুর জেলার মহিলা দলের মধ্যে খেলা চলছিল। প্রতিবাদের জেরে সেই ম্যাচ বাতিল হয়ে যায়।

ঢাকা : ইসলাম কট্টরপন্থীদের প্রতিবাদ। বাংলাদেশে বাতিল হয়ে গেল মহিলাদের ফুটবল ম্যাচ। সাম্প্রতিক সময়ে এরকম ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটল। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়া সূত্রের খবর। মহিলাদের ফুটবলে অংশগ্রহণের বিরোধিতা করে ইসলামী স্কুলের ছাত্র ও শিক্ষকদের সঙ্গে আরও কিছু মানুষ মিছিল করে যান। জয়পুরহাট ও রংপুর জেলার মহিলা দলের মধ্যে খেলা চলছিল। প্রতিবাদের জেরে সেই ম্যাচ বাতিল হয়ে যায়। টুর্নামেন্টের আয়োজক স্যামুয়েল হাসান ইমন একটি সংবাদ সংস্থাকে বলেন, "আমাদের এলাকার ইসলামীরা একটি মাঠে জড়ো হন, এরপর ভেন্যুর উদ্দেশে রওনা দেন। শতাধিক মানুষ ছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হয়। তাই আমাদের ইভেন্ট বাতিল করতে হয়েছে।"
ইসলামী কট্টরপন্থীরা এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন। তাঁরা দাবি করেন, মহিলাদের ফুটবল খেলা ইসলাম-নীতির বাইরে। প্রতিবাদে অংশ নেওয়া মাদ্রাসার এক হেড মাস্টার আবু বাক্কার সিদ্দিকী বলেন, মেয়েদের ফুটবল খেলা ইসলাম-বিরোধী। আমাদের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে যাওয়া যে কোনও কিছু বন্ধ করা আমাদের ধর্মীয় কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।
দিনাজপুরের নিকটবর্তী শহরে একই রকম ঘটনা ঘটে একদিন আগেই। ইসলামীরা লাঠি চালানোয় সেখানে মহিলাদের একটি ম্যাচ স্থগিত রাখা হয়। নিরাপত্তার কথা ভেবে খেলোয়াড়দের সরিয়ে নিয়ে যায় প্রশাসন। এই সময়ে ইসলাম কট্টরপন্থী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অপর এক গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাধে। উভয় গোষ্ঠীই একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। স্থানীয় সরকারি অফিসার অমিত রায় জানান যে, ঘটনায় চার জন জখম হয়েছেন। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর প্রত্যেককেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দিনকয়েক আগে ছাত্র বিক্ষোভে ফের অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ৭টি কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ভর্তিতে কোটা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি, আলাদা অ্যাডমিশন টেস্টের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ৭টি কলেজের পড়ুয়ারা। সংঘর্ষে জখম হন বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। গোলমাল থামাতে স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয় পুলিশকে।
ঢাকার সাতটি কলেজ বহু বছর ধরেই স্বশাসন দাবি করে আসছে। তাদের বক্তব্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকায় কলেজে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে। গত রবিবার সন্ধেয় সাত কলেজের কয়েকশো শিক্ষার্থী পাঁচ দফা দাবি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য মামুন আহমেদের কাছে স্মারকলিপি দিতে যান। কিন্তু, সহ উপাচার্য তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে-বাইরে কলেজ ছাত্ররা অবরোধ শুরু করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা অবরোধে বাধা দেওয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়।






















