Delhi Murder : প্রেম ভাঙার 'অপরাধ', পার্কে ডেকে প্রাক্তনকে কুপিয়ে-শ্বাসরোধ করে-পুড়িয়ে মারল যুবক, হাড়হিম করা দিল্লিতে
অভিভাবকরা জানিয়েছেন, শেষ কথা হয়েছিল দুপুরে। মাকে সে তখনও জানায়, তাড়াতাড়িই ফিরে আসবে। কিন্তু ফেরা হল না।

নয়াদিল্লি: ফের দিল্লিতে নৃশংস ভাবে খুন হয়ে গেলেন এক তরুণী। প্রথমে কুপিয়ে হত্যা, তারপর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা । হাড়হিম করা এই ঘটনা ঘটেছে রাজধানী দিল্লিতে। অভিযুক্ত তরুণের বয়স মাত্র ১৮ !
সূত্রের খবর, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওপেন লার্নিং (SOL) এ পড়তেন মৃতা তরুণী। এদিন সকালে তিনি ক্লাসের কথা বলেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। দুপুরের মধ্যেই ফিরে আসবেন, বলে গিয়েছিলেন মাকে। কিন্তু বহুক্ষণ কেটে যাওয়ার পরও তিনি ফিরে না আসায় চিন্তা বাড়ে। তা-বাবা বারবার ফোন করতে থাকেন। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, শেষ কথা হয়েছিল দুপুরে। মাকে সে তখনও জানায়, তাড়াতাড়িই ফিরে আসবে। কিন্তু ফেরা হল না।
পুলিশ সূত্রে খবর, জাহাঙ্গিরপুরীর বাসিন্দা নিহত তরুণীর নাম মেহেক জৈন। এদিন অর্শকৃতের ফোন পেয়েই তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল সে। আগেও এই যুবকের সঙ্গে মেলামেশা ছিল দিল্লির রানিবাগ এলাকার বাসিন্দা মেহেকের। বাড়ি থেকে নিষেধ করার পর অর্শকৃতের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দেয় মেহেক। এতেই আক্রোশ বাড়ে অর্শকৃতের, নানাভাবে সে ওই তরুণীকে বিরক্ত করত বলে অভিযোগ।
এরপর এদিন সে তরুণীকে ডেকে পাঠায় একটি পার্কে। সেখানে দেখা করার পর তাঁকে নিয়ে যায় নির্জন একটি জায়গায়। সেখানে পূর্বপরিকল্পনা মতোই ছুরি দিয়ে কোপ মারে সে। পরপর কোপ মারার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে তরুণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করে অভিযুক্ত। এরপর যাতে তরুণীর পরিচয় না জানা যায়, সেজন্য দেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও করে অভিযুক্ত। মেহরৌলির সঞ্জয় বন পার্ক থেকে তরুণীর অর্ধদগ্ধ দেহই উদ্ধার করা হয়েছে ।
প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, তরুণীর পরিচয় গোপনের চেষ্টা করেছিল ধৃত। তাই খুন করার পরে, পেট্রোল ঢেলে তাঁর দেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে সে। বেশ কিছুদিন ধরে তরুণীকে খুনের পরিকল্পনা করছিল অভিযুক্ত। যুবতীকে কোপানোর সময়ে আঘাত লাগে অভিযুক্তেরও। খুন করার পরে হাসপাতালে গিয়ে নিজের ক্ষতের চিকিৎসা করায় ধৃত। তাঁর বাবা আঘাতে বিষয়ে জানতে চাইলে, ধৃত জানায় তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে তরুণী। তখনই তরুণীর বাড়িতে ফোন করে ধৃতের বাবা।






















