Meat Shops Relocation: 'মাংসের দোকান থাকলে ধর্মীয় ভাবাবেগে ধাক্কা, বাড়ছে পথকুকুর',জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে বড় পদক্ষেপ
Haridwar Meat Shop : শহরের সমস্ত কাঁচা মাংসের দোকান শহরের বাইরে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। প্রস্তাব দিয়েছে হরিদ্বার পুর প্রশাসন।

কলকাতা : বাঙালির কাছে দিঘা-পুরী-দার্জিলিংয়ের পরেই হয়ত হরিদ্বার। গঙ্গা আরতি দেখার ভিড় জমানো, পবিত্র নীরে ডুব । আবার সেই হরিদ্বারের খাওয়া - দাওয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে সেখানকার প্রশাসন। এমনিতেও হরিদ্বারে হোটেল -রেস্তোরাঁয় আমিষ পদ মেলে না। তবে এবার আরও কড়া প্রশাসন। আগামী অর্ধ কুম্ভ মেলার আগে শহরের সমস্ত কাঁচা মাংসের দোকান শহরের বাইরে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। প্রস্তাব দিয়েছে হরিদ্বার পুর প্রশাসন।
অবৈধ মাংসের দোকান চালানোর অভিযোগ
হরিদ্বারের মেয়র কিরণ জয়সওয়াল সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব ইতিমধ্যেই খসড়া আকারে তৈরি হয়েছে। আগামী ৬ এপ্রিল পুরসভার বোর্ড বৈঠকে সেটি পেশ করা হবে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে শহরের অভ্যন্তরে থাকা সমস্ত কাঁচা মাংসের দোকান সরিয়ে শহরতলির সরাই গ্রামে স্থানান্তর করা হবে। বর্তমানে হরিদ্বার পুরসভার নিয়ম অনুযায়ী, হর কি পৌরি-কে কেন্দ্র করে ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মাংস, মদ এবং ডিম বিক্রি ও খাওয়া নিষিদ্ধ। তবুও শহরের বিভিন্ন এলাকায় বহু অবৈধ মাংসের দোকান চলছে বলে অভিযোগ। মেয়রের দাবি, পুরসভা মাত্র ২০টি দোকানকে লাইসেন্স দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি দোকান বেআইনিভাবে ব্যবসা করছে।
পথকুকুরের সমস্যাও বাড়াচ্ছে মাংসের দোকানগুলি
কিরণ জয়সওয়াল জানান, এই অবৈধ দোকানগুলি শুধু অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করছে না, বরং পথকুকুরের সমস্যাও বাড়াচ্ছে। প্রস্তাব পাশ হলে এই ধরনের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জরিমানাও করা হবে।এছাড়াও, শহরের হোটেল ও রাস্তার ধারের খাবারের দোকানগুলিতে রান্না করা মাংস পরিবেশন করা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। বর্তমানে জ্বালাপুর ও জগজিৎপুর এলাকায় বহু খোলা আকাশের নিচে মাংসের দোকান রয়েছে, যা নিয়ে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।
'ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে'
এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন মহন্ত রবীন্দ্র পুরী। তিনি বলেন, অর্ধ কুম্ভ মেলায় কোটি কোটি ভক্ত হরিদ্বারে আসবেন, সেই সময় শহরে মাংস ও মদের দোকান থাকা ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে। রাজ্যের মুখ্যসচিব আনন্দ বর্ধন-ও জানিয়েছেন, কুম্ভ মেলার সময় যাতে কোনওভাবেই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না লাগে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
























