Himachal Student Death: হিমাচলে ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু, কলেজে র্যাগিংয়ের শিকার, অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ
Himachal Pradesh News: অভিযোগ, তিন ছাত্রী মিলে র্যাগিং করেছিলেন মৃত ছাত্রীর। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধেও উঠেছে মৃতাকে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ।

Himachal Student Death: কলেজে র্যাগিং, হেনস্থার শিকার। স্ট্রেসের মাত্রা এতটাই তীব্র হয়ে গিয়েছিল যে, শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে হিমাচল প্রদেশের ১৯ বছরের এক ছাত্রীর। আর এই ঘটনায় এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। গত ২৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয়েছে ধর্মশালার সরকারি ডিগ্রি Himachal Student Death: কলেজের ওই ছাত্রীর। মৃতার বাবা ইতিমধ্যেই একটি এফআইআর- ও দায়ের করেছে। ওই ছাত্রীর বাবার অভিযোগ, গত ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁর মেয়েকে নানাভাবে হেনস্থা করেছিলেন আরও তিন ছাত্রী। মৃতার বাবার আরও অভিযোগ, এই বিষয়ে মুখ খুললে পরিণাম ভাল হবে না বলেও তাঁর মেয়েকে ভয় দেখিয়েছিলেন ওই তিন অভিযুক্ত ছাত্রী হর্ষিতা, আকৃতি এবং কমলিকা।
এফআইআর- এ মৃতার বাবা এও অভিযোগ করেছেন যে, কলেজের অধ্যাপক অশোক কুমার তাঁর মেয়ের সঙ্গে আপত্তিজনক আচরণ করেছেন। মানসিক এবং শারীরিক ভাবে এই মাত্রায় নিগৃহীত হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ছাত্রী। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। এরপর গত ২৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় ছাত্রীর। লুধিয়ানার দয়ানন্দ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তরুণীর। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতার বাবা জানিয়েছেন, মেয়ে এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এবং ভয়ে-আতঙ্কে ছিল যে আগে এই গোটা বিষয়টা পুলিশকে জানাননি তিনি।
হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন একটি ভিডিও করা হয়েছিল ওই ছাত্রীর। সেখানে দেখা গিয়েছে, হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রয়েছে তরুণী। তিনি যে বেশ অসুস্থ তা বোঝা যাচ্ছে। পাশ থেকে এক মহিলা ছাত্রীকে জিজ্ঞেস করেন, অধ্যাপকের নাম। তরুণী জবাব দেন 'অশোক স্যার'। এই অধ্যাপক কী করেছেন ওই ছাত্রীর সঙ্গে? প্রশ্নের জবাবে অসুস্থ ছাত্রী বলেন, 'অদ্ভুত আচরণ করতেন। সারাক্ষণ পিছনে পড়ে থাকতেন।' ঠিক কী কী হয়েছিল সবিস্তারে জানতে চাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েন তরুণী। তখন মহিলা এও জিজ্ঞেস করেন তাঁর বাবাকে বাইরে যেতে বলবেন কিনা। জবাবে না বলেন ছাত্রী। কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত হয়েই ছাত্রী বলেন, ওই অধ্যাপক তাঁকে 'স্পর্শ করতেন, বুকের দিকে ইশারা করতেন, অনেক কিছুই বলতেন।'
অভিযুক্ত তিন ছাত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুসারে র্যাগিংয়ের অভিযোগের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে হিমাচল প্রদেশের পুলিশ। Himachal Pradesh Educational Institutions (Prohibition of Ragging) Act, 2009- এর আওতাতেও তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধেও যৌন হেনস্থার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।






















