India-Pakistan Conflict: টি-শার্টে বিশেষ বার্তায় ভারতীয় সেনার জয়গান করলেন ধোনি? ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল
Mahendra Singh Dhoni: তিনি সেনার গৌরবে কোনও বার্তা না দেওয়ায় সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে।

নয়াদিল্লি: ভারত ও পাকিস্তানের সংঘর্ষের (India-Pakistan Conflict) জেরে স্থগিত হয়েছে আইপিএল (IPL 2025)। এই আবহে ভারতীয় সেনার গৌরবের প্রশংসায় সকলে। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, সচিন তেন্ডুলকররা সকলেই সেনাকে তাঁর বাহাদুরির জন্য কুর্নিশ জানিয়েছেন। তবে তিনি চুপ ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোথায় মহেন্দ্র সিংহ ধোনির (Mahendra Singh Dhoni) কোনও পোস্ট দেখা যায়নি। এর ফলে সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশ ধোনিকে সমালোচিতও করেন।
তবে ধোনি যে আর পাঁচজনের থেকে ভিন্ন, তাঁর সবকিছুই যে খানিক ভিন্ন, তা আবারও প্রমাণিত হল। সম্প্রতি আইপিএল স্থগিত হওয়ার পর সকলেই ধীরে ধীরে নিজেদের বাড়ি ফিরেছেন। ধোনিও সম্ভবত সেই উদ্দেশেই এক বিমানে চেপেছিলেন। সেখানেই তাঁর সহযাত্রীর এক ভিডিওতে ধোনিকে দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ধোনির পরিহিত টি-শার্ট সকলের নজর কেড়ে নেয়। সেই শার্টে লেখা, 'Duty, Honour, Country' অর্থাৎ 'কর্তব্য, গৌরব, দেশ।' এই বার্তাটি অনেকেই মনে করছেন দেশের সেনার গৌরবের জয়গাথারই ইঙ্গিতবাহী।
Exclusive Video of MS Dhoni from Chennai 💛
— Chakri Dhoni (@ChakriDhonii) May 11, 2025
Duty
Honour
Country 🇮🇳 pic.twitter.com/1Ig6s2Wum5
ধোনির ভারতীয় সেনার প্রতি ভালবাসা প্রশ্নাতীত। অতীতে তাঁকে সেনার জার্সির আদলে বিশেষ দস্তানা পরে জাতীয় দলের হয়ে কিপিং করতে দেখা গিয়েছিল। তিনি সেনাবাহিনীর বিশেষ পদেও রয়েছেন। ভারতীয় বিশ্বজয়ী অধিনায়ক ধোনি ভারতীয় টেরিটোরিয়াল আর্মির প্যারাশুট রেজিমেন্টের সাম্মানিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল। ২০১১ সালে এই পদ পান ধোনি। তাই তাঁর দেশপ্রেম নিয়ে কোনওরকম প্রশ্ন উঠা কার্যত অসম্ভব। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট না করলেও, নিজের ধোনিচিত ভিন্ন পদ্ধতিতে আবার দেশের প্রতি, সেনার প্রতি তাঁর ভালবাসা প্রমাণ করে দিলেন।
প্রসঙ্গত, ৭ মে পহেলগাঁও হামলার জবাবে প্রত্যাঘাত করেছিল ভারত। অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি। ভারত বেছে বেছে জঙ্গি ঘাঁটি নিশানা করলেও, পাকিস্তান পাল্টা হামলা শুরু করে। টার্গেট করা হয় ভারতের সাধারণ নাগরিক এবং সেনা ছাউনিকে। যোগ্য জবাব দিতে শুরু করে ভারতও। শনিবার অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ সাংবাদিক বৈঠকে ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (DGMO), লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই জানিয়েছেন, ৭ থেকে ১০ মে- এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কামান এবং ছোট অস্ত্রের গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সেনার অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।






















