India Pakistan Conflict: পাসপোর্টকাণ্ডে ধৃত আজাদ মল্লিকের ফোনে মিলল ২০০-র বেশি পাক নাগরিকের নম্বর ! 'বাবাজি', 'কালীবাবা' ছদ্মনামে সেভ..
Passport Scam: শুধুই কি জাল পাসপোর্টচক্রের সঙ্গে যুক্ত আজাদ? না কি কোনও স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবেও কাজ করছিল ?

প্রকাশ সিনহা,কলকাতা: পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে ধৃত আজাদ মল্লিকের মোবাইল ফোনে মিলল ২০০-র বেশি পাক নাগরিকের নম্বর। এর মধ্যে বেশ কিছু নম্বর সেভ করা ছিল ছদ্মনামে। এছাড়া, সাঙ্কেতিক ভাষাতেও সেভ করা ছিল পাকিস্তানের নম্বর। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করল ED.
আরও পড়ুন, 'সাপ, সাপই থাকে..' ! দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিলেন অভিষেক
আজাদ মল্লিকের ফোন থেকে উদ্ধার হয়েছে পাকিস্তানের কাঁড়ি কাঁড়ি ফোন নম্বর
পাসপোর্টকাণ্ডের তদন্তে আজ থেকে প্রায় দেড় মাস আগে সামনে এসেছিল পাকিস্তান-যোগ। বিরাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল পাক নাগরিক আজাদ মল্লিককে। ইতিমধ্যেই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জেরা করেছে IB. আর এবার ED সূত্রে খবর, আজাদ মল্লিকের ফোন থেকে উদ্ধার হয়েছে পাকিস্তানের কাঁড়ি কাঁড়ি ফোন নম্বর। পাকিস্তানের অন্তত ২০০ টি ফোন নম্বর তাঁর মোহাইলে সেভ রয়েছে।শুধু তাই নয়, এই ফোন নম্বরগুলি সেভ করা রয়েছে ছদ্মনামে।
শুধু ছদ্মনামেই নয়, নিউমেরিক ডিজিটেও আজাদের ফোনে সেভ করা হয়েছে পাকিস্তানের নম্বর
কোনও নম্বর সেভ করা রয়েছে 'বাবাজি' নামে, কোনওটা আবার সেভ করা হয়েছে 'কালীবাবা' নামে। শুধু ছদ্মনামেই নয়, নিউমেরিক ডিজিটেও আজাদের ফোনে সেভ করা হয়েছে পাকিস্তানের নম্বর।এর পাশাপাশি কোড ওয়ার্ডেও সেভ করা হয়েছিল নম্বর। ইতিমধ্যেই এই সমস্ত তথ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার তরফে। ED সূত্রে খবর, আজাদ মল্লিকের ফোন বাজেয়াপ্ত করার পর দেখা যায় সমস্ত তথ্য ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে।
শুধুই কি জাল পাসপোর্টচক্রের সঙ্গে যুক্ত আজাদ? না কি কোনও স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবেও কাজ করছিল?
পরে ধাপে ধাপে মুছে দেওয়া তথ্য উদ্ধার করা হয়। তখনই সামনে আসে এই সমস্ত চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, শুধুই কি জাল পাসপোর্টচক্রের সঙ্গে যুক্ত আজাদ? না কি কোনও স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবেও কাজ করছিল? ED সূত্রে দাবি, এরাজ্যে আজাদের ২টি ভোটার কার্ড রয়েছে। দু'টিই উত্তর ২৪ পরগনায়।
আজাদের মাধ্যমে কি আরও কোনও পাকিস্তানির হাতে পৌঁছে গেছে ভারতের পাসপোর্ট?
একটি নৈহাটি আরেকটি মধ্যমগ্রামের ঠিকানায়। মিলেছে জোড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সও। তার মধ্যে একটি এরাজ্যের, আর একটি পাকিস্তানের করাচির ঠিকানায় ১৯৯৭ সালে তৈরি করা। আজাদের মাধ্যমে কি আরও কোনও পাকিস্তানির হাতে পৌঁছে গেছে ভারতের পাসপোর্ট? সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।






















