India Pakistan Tension: ফের বায়ুসেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিল মোদি সরকার, প্রয়োজনে গুলি চালানোর নির্দেশ, বড় কোনও আশঙ্কা?
Modi Govt on Pakistan: অপারেশন সিঁদুরের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, 'এটা সুনিশ্চিত করত হবে, যে যুদ্ধের পরিস্থিতি হলে তৈরি থাকতে পারেন।'

নয়া দিল্লি: অল আউট অ্যাটাকের পর এবার অফেন্সিভ ডিফেন্স। পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাতে অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য, ভারতীয় বায়ুসেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিল মোদি সরকার।
সন্দেহজনক কোনও কিছু দেখলে তা প্রতিহত করতে প্রয়োজনে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি সীমান্তে কোনও কিছুর আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় সরকার? এর মধ্যেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পহেলগাঁওকাণ্ডের পর নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর লাগাতার গোলাগুলি বর্ষণ করছে পাক সেনা। অপারেশন সিঁদুরের পর তারা মরিয়া চেষ্টা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা। সেই কারণেই ভারতের আকাশসীমায় সন্দেহজনক কোনও কিছু দেখলে তা প্রতিহত করার জন্য বায়ুসেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিল কেন্দ্র।
অপারেশন সিঁদুরের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, 'এটা সুনিশ্চিত করত হবে, যে যুদ্ধের পরিস্থিতি হলে তৈরি থাকতে পারেন। আমাদের কাছে যতবড় ট্যাঙ্ক থাকুক না কেন, ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় না পৌঁছলে কী কাজ। যুদ্ধবিমান থাকলেও তা নামার জন্য উপষুক্ত জায়গা না থাকলে কী করে হবে।'
এদিকে এখনও নির্লজ্জ পাকিস্তান। ভারত যেখানে টার্গেট করে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছে, সেখানে নিরস্ত্র, নিরীহ ভারতীয় নাগরিকদের টার্গেট করছে পাক সরকার। পাক সেনার ছোড়া গোলায় পুঞ্চে ক্ষতিগ্রস্ত বাস স্ট্যান্ড। বাসের জানলার কাচ ভেঙে গুঁড়িয়ে গেছে। পাক সেনার ছোড়া গোলায় ভেঙে পড়েছে পুঞ্চের গুরদোয়ারা। পুঞ্চ শহরে এমন হামলা এই প্রথম। স্থানীয়দের প্রশ্ন, ভারতের প্রত্যাঘাতে টার্গেট করা হয়েছিল জঙ্গিদের, তাহলে পাক গোলায় কেন মরতে হচ্ছে নিরপরাধ নাগরিকদের?
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের ডাকে আজ সর্বদল বৈঠক। সেনাবাহিনীর এই অভিযান নিয়ে বিরোধীদের জানাতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার।
অন্যদিকে, ভারতের প্রত্যাঘাতের পর আতঙ্কে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে নাগরিকদের বাড়ি থেকে বেরোতে নিষেধ করে মাইকে প্রচার করছে পাক প্রশাসন। সন্ধে ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডিতে ব্ল্যাকআউট। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বহাল থাকবে নির্দেশিকা। নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া শিয়ালকোট-ছাম্ব সেক্টরের আশেপাশের এলাকায় সমস্ত গ্রাম খালি করা হয়েছে। সেনা চৌকি, পুলিশ স্টেশন ও হাসপাতালকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে পাক প্রশাসন। দেশজুড়ে চিকিৎসক, নার্সিং স্টাফ এবং প্যারা মেডিক্যাল কর্মীদের ছুটি বাতিল করেছে পাক সরকার।





















