Namaz: এনসিসি ক্যাম্পে ছাত্র-ছাত্রীদের জোর করে নমাজ পড়ানো, ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
NCC Camp: ২৬ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত চলেছিল এই এনসিসি ক্যাম্প যেখানে যোগ দিয়েছিলেন ১৫৯ জন ছাত্র-ছাত্রী। কোটা থানার অধীনে শিবতরাই গ্রামে এই এনসিসি ক্যাম্প চলছিল।

বিলাসপুর: ৭ জন শিক্ষক ও ১ জন ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার অর্থাৎ গতকালই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে কারণ এই ৮ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ (Namaz) যে তারা এনসিসি ক্যাম্পে জোর করে নমাজ পড়িয়েছিলেন অ-মুসলিম (NCC Camp) ছাত্র-ছাত্রীদের। ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে অবস্থিত গুরু ঘাসিদাস কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই ঘটেছে এই ঘটনা। এমনটাই জানা গিয়েছে পুলিশসূত্রে।
২৬ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত চলেছিল এই এনসিসি ক্যাম্প যেখানে যোগ দিয়েছিলেন ১৫৯ জন ছাত্র-ছাত্রী। কোটা থানার অধীনে শিবতরাই গ্রামে এই এনসিসি ক্যাম্প চলছিল। সেখানেই এই অপরাধ ঘটেছে। জানা গিয়েছে এই ১৫৯ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে মাত্র ৪ জনই ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের। কিন্তু তারপরেও সকলকেই নমাজ পড়তে বাধ্য করানো হয়। এই ঘটনায় সেই এনসিসি ক্যাম্পের ছাত্র-ছাত্রীরা পুলিশে অভিযোগ জানান আর তারপরেই শুরু হয় তদন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনায় দক্ষিণপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি এর তীব্র বিরোধিতা করেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
এক আধিকারিকের মতে, এই ঘটনায় সংগঠনগুলি বিক্ষোভ প্রদর্শনও করেছিল। সেই আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, '৩১ মার্চ এই ঘটনাটি ঘটেছিল। বিলাসপুরের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ রজনীশ সিং এই বিষয়ে তদন্ত করার জন্য সিটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ অক্ষয় সবদ্রের নেতৃত্বে একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করেন। এসএসপির কাছে তদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ার পরে গতকাল শনিবার সেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে'।
এই ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম জানা গিয়েছে দিলীপ ঝা, মধুলিকা সিং, জ্যোতি বর্মা, নীরজ কুমারি, প্রশান্ত বৈষ্ণব, সূর্যভান সিং এবং বসন্ত কুমার। তারা সকলেই গুরু ঘাসিদাস কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। এর সঙ্গেই মামলা দায়ের হয়েছে ছাত্র-নেতা আয়ুষ্মান চৌধুরীর নামেও। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯৬ (বি), ১৯৭(১) (বি) (সি), ২৯৯, ৩০২, ১৯০, ও ছত্তিশগড় ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের ৪ নং ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রথমে কোনি থানায় এই মামলা দায়ের করা হয় এবং পরে মামলাটি বিশদ তদন্তের জন্য পাঠানো হয় কোটা থানায়।
গত মাসেই অসম বিধানসভায় জুম্মার জন্য নমাজের বিরতির যে নিয়ম চালু ছিল বিগত ৯০ বছর ধরে তা বাতিল করা হয়েছে। নমাজের জন্য ২ ঘণ্টার বিরতি ধার্য ছিল আগে বিধানসভার নিয়মে, তা এবার তুলে দেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র: পিটিআই






















