Iran on Lebanon Attack: লেবাননে হামলা, "সংঘর্ষবিরতি আর যুদ্ধ একসঙ্গে চলতে পারে না", আমেরিকাকে হুমকি ইরানের!
US-Iran War: আমেরিকাকে বেছে নিতে হবে হয় সংঘর্ষবিরতি বা ইজরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া। এই দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না", পোস্ট করেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরঘচি।

নয়া দিল্লি: আমেরিকার সঙ্গে সংঘর্ষবিরতিতে ইরান (Ceasefire in US Iran War)। ইতিমধ্যেই আমেরিকার কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেছে তারা। আর এবার ইরানের আপত্তি ও সংঘর্ষবিরতির পরও লেবাননের উপর হামলা চালল ইজরায়েল (Iran on Lebanon Attack)। ইজরায়েলি হানায় মৃত্যু হয়েছে ২৫০ জনের। টানা গোলা বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনায় তেহরানের প্রতিক্রিয়া, সংঘর্ষবিরতি ও গোলাবর্ষণ একসঙ্গে চলতে পারে না।
Foreign Minister of the Islamic Republic of Iran, Seyed Abbas Araghchi, tweets, "The Iran–U.S. Ceasefire terms are clear and explicit: the U.S. must choose—ceasefire or continued war via Israel. It cannot have both. The world sees the massacres in Lebanon. The ball is in the U.S.… pic.twitter.com/X3aXMeQqwg
— ANI (@ANI) April 8, 2026
ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরঘচি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে। তিনি লিখেছেন, "ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষবিরতির যা যা শর্ত দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট। আমেরিকাকে বেছে নিতে হবে হয় সংঘর্ষবিরতি বা ইজরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া। এই দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না। গোটা বিশ্ব লেবাননে গণহত্যা দেখেছে। বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। আর গোটা বিশ্ব এখন দেখছে আমেরিকা তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করে কি না।"
লেবাননের উপর হামলার পর শান্তি বৈঠক বয়কটের হুমকি দিয়েছে ইরান। উল্লেখ্য, এই সপ্তাহের শেষে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই শান্তি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইজবুল্লার ঠিকানায় চলবে হামলা, ঘটনায় পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইজরায়েল। আর এর পরই ইরানের ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড কর (IRGC) এদিন দাবি করেছে যে লেবাননে ইজরায়েলের হামলার কারণে লঙ্ঘিত হয়েছে সংঘর্ষবিরতি। আর এর ফলে হরমুজ দিয়ে আপাতত বন্ধ রয়েছে জাহাজ চলাচল।
অনুমতি ছাড়া হরমুজ পেরোতে গেলে হামলা হবে, হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এ ছাড়াও ইরান জানিয়েছে অনুমতি নিয়ে যে সব পণ্যবাহী জাহাজ চলবে, তাদের ব্যারেল প্রতি দিতে হবে ১ ডলার করে শুল্ক। গতকালই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। জানা গিয়েছে এই শুল্ক আদায় করবে ইরান ও ওমান। উল্লেখ্য, গতকাল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ জানিয়েছিলেন, সংঘর্ষবিরতির আওতায় থাকবে লেবাননও। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল।

























