Kerala Congress: নায়িকাকে আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো, হোটেলে ডাকার অভিযোগ, চাপের মুখে দলের পদ ছাড়লেন কেরল যুব কংগ্রেসের নেতা
Rahul Mamkootathil: মলয়ালি অভিনেত্রী রিনি জর্জ সম্প্রতি মারাত্মক অভিযোগ তোলেন।

তিরুঅনন্তপুরম: নায়িকাকে আপত্তিকর মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ। বিতর্কের জেরে দলের পদ ছাড়লেন কেরলের বিধায়ক, যুব কংগ্রেস নেতা রাহুল মমকুটাথিল। তবে দলের পদ ছাড়লেও বিধায়ক পদ ছাড়ছেন না। দলীয় নেতৃত্বের চাপেই শেষ পর্যন্ত তিনি পদ ছাড়লেন বলে মনে করা হচ্ছে। (Rahul Mamkootathil)
মলয়ালি অভিনেত্রী রিনি জর্জ সম্প্রতি মারাত্মক অভিযোগ তোলেন। সরাসরি রাহুলের নাম মুখে না আনলেও, তিনি জানান, এক রাজনীতিক গত তিন বছর ধরে উত্যক্ত করছেন তাঁকে। ফোনে অশ্লীল মেসেজ পাঠান, ফাইভ স্টার হোটেলেও ডেকে পাঠান। ওই নেতার দলকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও পদক্ষেপই করেনি দল। (Kerala Congress)
রিনি যদিও কারও নাম নেননি, কিন্তু সেই থেকেই রাহুলের নাম নিয়ে চর্চা শুরু হয়। বিজেপি দাবি করে, রাহুলই এতদিন ধরে হেনস্থা করছিলেন রিনিকে। শুধু তাই নয়, পলক্কড়ে রাহুলের দফতরের বাইরে বিক্ষোভও দেখায় তারা। এর পরই বিষয়টি দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে পৌঁছয় বলে জানা গিয়েছে।
শেষ পর্যন্ত কেরল যুব কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রাহুল। তবে নায়িকাকে হেনস্থার অভিযোগ এখনও অস্বীকারই করছেন রাহুল। তাঁর বক্তব্য, “আমার বিরুদ্ধে যিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছি, আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করে দেখান। আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ কিন্তু জমা পড়েনি। দেশের আইন ব্যবস্থার উপর ভরসা আছে আমার। ও আমার কাছের বন্ধু। আমার নামে কিন্তু অভিযোগ করেনি ও। এখনও ওকে কাছের বন্ধু বলেই মনে করি।”
সাংবাদিকতার জগৎ থেকে অভিনয়ে পা রাখেন রিনি। বুধবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তরুণ এক রাজনীতিকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুত্ব হয় তাঁর। প্রায়শই টেলিভিশন চ্যানেলে, আন্দোলনের অগ্রভাগে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু সেই থেকে লাগাতার তাঁকে হেনস্থা করে চলেছেন ওই রাজনীতিক। অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর পাশাপাশি, হোটেলের ঘরেও ডাকছেন। অন্য মহিলাদেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে, এমনকি দলের মহিলা কর্মীদেরও হেনস্থা হতে হয়েছে বলে দাবি করেন রিনি।
রিনি নাম প্রকাশ না করলেও, রাহুলের নাম নিয়ে চর্চা শুরু হতে সময় লাগেনি। গত বছরই পলক্কড় আসনটি থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে কেরল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ভিডি সতীশন জানান, অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। কত বড় নেতা, কী তাঁর প্রভাব, এসব দেখা হবে না। কংগ্রেসের কোনও নেতা এমন কিছু ঘটালে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এর পর দলের তরফে চাপ সৃষ্টি করা হলেই রাহুল পদ ছাড়তে বাধ্য হন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিধায়ক পদে আসীন থাকছেন তিনি।






















