Dilip On Madan: "যা করেছেন..অনেক ভোগান্তি আছে এখনও", মদনকে ED-র তলবের পর মন্তব্য দিলীপের
Dilip Ghosh Warns Madan Mitra: মদনকে ইডির তলব নিয়ে এবার কড়া প্রতিক্রিয়া রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের

কলকাতা: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ মদন মিত্রকে প্রায় ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ইডির তলব নিয়ে এবার কড়া প্রতিক্রিয়া রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের। 'অনেক ভোগান্তি আছে এখনও, যা করেছেন..।'
ইডির তলব নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেক আছে ভোগান্তি এখনও। আপনারা যা করেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি মদন মিত্রকে, এখন একটা হোটেল দখল করেছে ওনার এক চেলা। ..আমি সেখানে পুলিশকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেব। হোটেলটা ছাড়ছে না, লিজ বাদ দিয়ে। এরকম বহু ঘটনা আছে। এখন তো আমরা কমপ্লেন করিনি। পুলিশ যেটুকু করছে। এই ধরণের ঘটনা হাজার হাজার আছে। এক একটা নেতার পিছনে এমন ঘটনা আছে। সব বার করব আমরা কাউকে ছাড়া হবে না।'
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, বুধবার মদন মিত্রকে ৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি দফতরে ঢুকেছিলেন বেলা সোয়া ১২টা নাগাদ।আর বেরোন রাত আটটার পরে। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, ওদের যা যা প্রশ্ন ছিল, আমি সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। মুখে বলেছি এবং লিখিতভাবেও দিয়েছি। আমি আশা করব এজেন্সি তারা যা যা উত্তর চেয়েছিল আমি সঠিকভাবেই দিতে পেরেছি।'পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে কামারহাটির বিধায়কের বিরুদ্ধে।
ইডি সূত্রে খবর, কখনও নগদ, আবার কখনও সোনাদানা ঘুষ দিয়ে কামারহাটি ও টিটাগড় পুরসভায় চাকরি পেয়েছেন অন্তত ১২৫ জন। ED-র তদন্তকারীদের অনুমান, করোনাকালের পরে ওই পুরসভায় চাকরিপ্রার্থীদের নাম সুপারিশ করেন মদন মিত্র। সংখ্যাটা ১০০-র ওপরে। সেখানে মদন মিত্রের সুপারিশে কতজন চাকরি পেয়েছেন তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
একইসঙ্গে ED সূত্রে দাবি, মদন মিত্রের স্ত্রী ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে দুটিতেই সন্দেহজনক লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।' তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সন্দেহজনক লেনদেন পুরসভায় চাকরি বিক্রির টাকা হতে পারে। মদন মিত্র বলেন,আমি যা বলার এজেন্সিকে বলেছি। সরকারি এজেন্সি, তারা যা জানতে চেয়েছে, আমি সবটাই অফিসিয়ালি বলেছি।'ইডি সূত্রে খবর, ২০১৬-১৭ সালে একটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন করা হয় মদন মিত্রকে।






















