Iran Israel Conflict: "পূর্ণ শক্তিতে আক্রমণ চালাবে ইজরায়েল..", হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর ! এবার বড় দাবি চিনের
Iran Israel Tension: ইরানের উপর আক্রমণ অব্যাহত থাকবে, হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর।

নয়াদিল্লি: ইরানের উপর আক্রমণ অব্যাহত থাকবে, হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর। 'ইজরায়েল পূর্ণ শক্তিতে আক্রমণ চালাবে', জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া, চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রীর। আমরা ইরানের ওপর মার্কিন-ইজরায়েলের আক্রমণের বিরোধিতা করি, দাবি চিনের।
আরও পড়ুন, আর মাত্র ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে ভারতে !
ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রীর দাবি,'বল প্রয়োগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা যাবে না। সামরিক পদক্ষেপ কখনও স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান করতে পারে না। ইজরায়েল ধ্বংসের হুমকির মধ্যে থাকতে প্রস্তুত নয়। এটা স্পষ্ট যে হিজবুল্লা ইরানের পক্ষে কাজ করে। ইরান এই অঞ্চলের সকল দেশের জন্য বিপজ্জনক। তেলের দাম বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ৮০ ডলারে। শীঘ্রই তেলের দাম ২০০ ডলারে পৌঁছাবে'
শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়তে তারাও তৈরি বলে, পাল্টা বার্তা দিয়ে বলেছে ইরান!সব মিলিয়ে সময় যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে যুদ্ধের তীব্রতা! ২০২৫-এর জুন মাসে,ইরান-ইজরায়েলের তীব্র সংঘাত দেখেছিল বিশ্ব! সেই সংঘাতের মধ্যে এন্ট্রি নেয় আমেরিকা। ইরানের ফরদো এবং নাতানজ পরমাণু কেন্দ্রে বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা ফেলে তারা। কিন্তু তার ৮ মাসের মধ্যেই কী এমন হল যে,ইরানের ওপর ফের আবার হামলা চালাতে হল আমেরিকা ও ইজরায়েলকে?আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সতর্কবার্তার পরও, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধ করেনি। সেই সঙ্গে তারা ব্য়ালিস্টিক মিসাইল তৈরির প্রক্রিয়াও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। খুব শীগগিরই তারা আমেরিকায় আঘাত হানার মতো মিসাইল তৈরি করে ফেলত।
তবে এই প্রথম নয়। অতীতেও নানা অজুহাতে বিভিন্ন দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে আমেরিকা।দু'দশকেরও বেশি সময় আগে, Weapons of Mass Destruction বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র খোঁজার নাম করে ইরাক আক্রমণ করেছিল আমেরিকা। ২০০৩ সালের ২০ মার্চ, ইরাকে 'অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম' লঞ্চ করে আমেরিকা ও তার সহযোগী ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও পোল্যান্ডের সেনাবাহিনী। প্রায় একমাস ধরে চলেছিল সেই অপারেশন। তীব্র আক্রমণের জেরে ইরাকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হোসেন শাসনের পতন হয়। প্রথমে তাঁকে বন্দি ও পরে ২০০৬ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
২০১১ সাল পর্যন্ত ইরাকে সেনা রেখে দিয়েছিল আমেরিকা। তারই মধ্যে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয় সাদ্দাম হোসেনকে। সেবারও আমেরিকা দাবি করেছিল, ল্যাবে মারাত্মক জৈব অস্ত্র তৈরি করছে ইরাক এবং তারা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে। যদিও ইরাকে কোনও গণবিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া যায়নি!কখনও গণবিধ্বংসী অস্ত্রের অজুহাতে ইরাক আক্রমণ!কখনও মাদকের বাড়বাড়ন্ত রোখার কারণ দেখিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে আসা!আর এবার ইরানের ওপর আক্রমণ!























