এক্সপ্লোর
আনন্দের রিসর্টে রাখা হয়েছে কর্নাটক থেকে গুজরাতে ফেরা কংগ্রেস বিধায়কদের

আমদাবাদ: ১০ দিন বেঙ্গালুরুর একটি রিসর্টে থাকার পর আজ ভোরে গুজরাতে ফিরলেন কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়ক। আজ ভোর ৪.৪৫ মিনিটে তাঁরা আমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পটেল বিমানবন্দরে নামেন। বিমানবন্দরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি কংগ্রেস কর্মীরাও হাজির ছিলেন বিমানবন্দরে। কংগ্রেস বিধায়কদের নিয়ে আসা বিমান আমদাবাদে পৌঁছনোর আগে থাকতেই তাঁদের জন্য দুটি বাস রাখা ছিল। বিধায়করা একে একে বিমানবন্দরের বাইরে আসতেই তাঁদের বাসে তুলে দেওয়া হয়। একজন ডিসিপি, ৪ জন এসিপি, ৪ জন ইন্সপেক্টর এবং ৯৫ জন সশস্ত্র পুলিশকর্মী কংগ্রেস বিধায়কদের আনন্দ জেলার বোরসাদের কাছে একটি রিসর্টে পৌঁছে দেন। তবে তাঁরা সেই রিসর্টের দিকে রওনা হওয়ার পর বিপত্তি ঘটে। একটি বাসের ইঞ্জিনে গোলমাল হওয়ায় সেটি রওনা হওয়ার ১০ মিনিট পরেই দুটি বাস বিমানবন্দরে ফিরে আসে। পুলিশকর্মীরা ধাক্কা দেওয়ার পর খারাপ হওয়া বাসটি ফের চালু হয়। উল্লেখ্য আনন্দ গুজরাতের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভরতসিংহ সোলাঙ্কির নিজের শহর। নীজানন্দ নামে যে রিসর্টে বিধায়কদের রাখা হয়েছে তার মালিক মহেন্দ্র পটেল নামে এক অনাবাসী ভারতীয়। রিসর্টটি বনসখেড়িয়া গ্রামে। আনন্দ জেলার কংগ্রেস সভাপতির এই গ্রামের বেশিরভাগই কংগ্রেসের সমর্থক। তাই এখানে বিধায়করা অনেক বেশি নিরাপদে থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে দাবি। বিমানবন্দরে পুলিশি নিরাপত্তায় সন্তুষ্ট হলেও, বিধায়করা আগামীকাল নিরাপদে বিধানসভায় পৌঁছে রাজ্যসভা নির্বাচনে ভোট না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন গুজরাতের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভরতসিংহ সোলাঙ্কি। তিনি বলেছেন, ‘স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও যদি রাহুল গাঁধী আক্রান্ত হন, তাহলে গুজরাতে আমরা কী আশা করতে পারি?’ গুজরাত বিধানসভায় কংগ্রেসের মুখ্যসচেতক শৈলেশ পারমার বলেছেন, শাসক দল বিজেপি ক্রমাগত কংগ্রেস বিধায়কদের হুমকি দিয়ে চলেছে। তাই রাজ্যসভা নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কংগ্রেস বিধায়করা এই রিসর্টেই থাকবেন। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর রাজনৈতিক সচিব আহমেদ পটেলই জয়ী হবেন বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন পারমার।
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















