এক্সপ্লোর
শেখ সোহরাবুদ্দিন ভুয়ো সংঘর্ষ মামলায় ২২ জনকে বেকসুর খালাস দিল সিবিআই-এর বিশেষ আদালত

নয়াদিল্লিঃ শেখ সোহরাবুদ্দিন ভুয়ো সংঘর্ষ মামলায় ২২ জনকে বেকসুর খালাস দিল সিবিআই-এর বিশেষ আদালত। রায় দিতে গিয়ে বিচারক এস জে শর্মা জানান, সোহরাবুদ্দিন ও তার পরিবারের জন্য তিনি দুঃখিত। কিন্তু আদালত প্রমাণ ছাড়া কিছু করতে পারে না। প্রমাণের অভাবেই অভিযুক্তরা মুক্তি পেলেন। তদন্তে অভিযুক্ত কারও বিরুদ্ধে সোহরাবুদ্দিন ও তার পরিবারের লোকেদের হত্যার ষড়যন্ত্র করা বা হত্যা করার প্রমাণ জোগাড় করা যায়নি। আর সেই কারণেই অভিযুক্তরা ছাড়া পেয়ে গেলেন। ২২ জন অভিযুক্তের মধ্যে ২১জনই গুজরাত ও রাজস্থানের পুলিশ আধিকারিক। বাকি একজন সেই ফার্ম হাউসের মালিক, যেখানে সোহরাবুদ্দিন ও তার পরিবারকে মেরে ফেলার আগে আটকে রাখা হয়েছিল। একসময় বিজেপি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহও এই মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। ২০১৪ সালে তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সোহরাবুদ্দিন লস্কর-ই-তৈবার মতো সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলত। এমনকী গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল সে। ২০০৫ সালে এই ঘটনা ঘটে। ২০১০ সালে সিবিআই তদন্ত শুরু করার পর প্রথমে ৩৮জনের নাম চার্জশিটে ছিল। তার মধ্যে ছিলেন গুজরাতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রাজস্থানের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুলাবচাঁদ কাটারিয়া, ডি জি বানজারা, পি সি পাণ্ডের মতো হেভিওয়েট আইপিএস অফিসাররা। ২১০ জন সাক্ষীর বয়ান শোনে আদালত। সোহরাবুদ্দিনের ভাই রুবাবুদ্দিন আদালতের রায়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি এরপর শীর্ষ আদালতে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
খবর
খবর
খবর
ব্যবসা-বাণিজ্যের























