এক্সপ্লোর
বাওয়ানা শিল্পাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ কেজরীবালের, গ্রেফতার বাজির গুদামের মালিক

নয়াদিল্লি: বাওয়ানা শিল্পাঞ্চলে আতসবাজির গুদামে ভয়াবহ আগুনে ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। তিনি বলেছেন, কীভাবে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল, কে লাইসেন্স দিয়েছিল এবং কীভাবে আগুন লাগল, সেটা খতিয়ে দেখা হবে। একইসঙ্গে মৃত ব্যক্তিদের নিকটাত্মীয়কে পাঁচ লক্ষ টাকা করে এবং জখম ব্যক্তিদের এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন কেজরীবাল। দিল্লির বিজেপি সভাপতি মনোজ তিওয়ারিও অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। হাসপাতালে গিয়ে মৃতদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করেছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজল ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। পুলিশ জানিয়েছে, এফআইআর করা হয়েছে। কী কারণে আগুন লাগল, সেটা জানার জন্য তদন্ত চলছে। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রজনীশ গুপ্ত বলেছেন, ‘পুলিশ, দমকল ও অ্যাম্বুল্যান্স ছুটে গিয়েছিল বাওয়ানা শিল্পাঞ্চলের সেক্টর ফাইভের এফ-৮৩ অংশে। আগুনের কারণ এখনও জানা যায়নি। মনোজ জৈন ও ললিত গোয়েল নামে দুই ব্যক্তি ওই গুদামের মালিক। মনোজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁরা ওই গুদামটি ভাড়া নিয়েছিলেন না ওই অংশের মালিক, সেটা খতিয়ে দেখা হবে। জখম কর্মীরা জানিয়েছেন, ওই গুদামে বাইরে থেকে আতসবাজি আসত। তাঁরা শুধু প্যাকিং করতেন। অনিচ্ছাকৃত খুন সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’ দিল্লির দমকল বিভাগের ডিরেক্টর জি সি মিশ্র জানিয়েছেন, গতকাল সন্ধে ৬.২০ মিনিটে ফোন করে আগুনের খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়। বেসমেন্ট থেকে উপরের তলগুলিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে অনেকেই আটকে পড়েছিলেন। বেসমেন্ট থেকে একটি, গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে তিনটি এবং ফার্স্ট ফ্লোর থেকে ১৩টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। আগুনে পুড়ে বা শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এক ব্যক্তি আগুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য দ্বিতীয় তল থেকে নীচে লাফ দেন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত ও আহতদের পরিবারকে খবর দিয়েছে পুলিশ। মৃতদের দেহ শনাক্ত করার জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
Before You Go
CM Suvendu Adhikari : আলোকসজ্জা, পুরকর্মীদের বকেয়া! আর কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?





















