এক্সপ্লোর
বিহারে মেলেনি একজিট পোলের হিসাব, আমরাই জিতব উত্তরপ্রদেশে, বললেন রাহুল

নয়াদিল্লি: গতকালের একাধিক একজিট পোলে উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে একক বৃহত্তম দল হিসাবে দেখিয়ে কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টি জোট পিছিয়ে থাকবে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হলেও তার সঙ্গে একমত নন রাহুল গাঁধী। কংগ্রেস সহ সভাপতির দাবি, বিজেপি অন্যদের থেকে এগিয়ে, এই ধারণা ভুল। বিহারের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে অখিলেশ সিংহ যাদব ও তাঁর দলের জোটই জিতবে বলে ঘোষণা করেন কংগ্রেস সহ সভাপতি। শুক্রবার সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিহার বিধানসভা ভোটে একজিট পোলের যাবতীয় হিসেব-নিকেশ ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছিল। এবারও তাই হবে। উত্তরপ্রদেশে আমরা জিতব। আমরা ১১ মার্চ কথা বলব।
গতকালের প্রায় সব একজিট পোলেই উত্তরপ্রদেশে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হচ্ছে বলে ভবিষ্যদ্বানী করা হয়েছে। বিজেপি এগিয়ে থাকবে, বলা হয়েছে অধিকাংশ পোলেই। এমনকী একটি পোলে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা ২৮৫টি পর্যন্ত আসন পেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। রাহুলের মন্তব্য, ওপিনিয়ন পোল নিয়ে কোনও অভিমত দেব না। প্রসঙ্গত, ২০১৫-র বিহার বিধানসভা ভোটের ক্ষেত্রে অধিকাংশ একজিট পোলেই বিজেপির বিপুল জয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল। কিন্তু সব ভিত্তিহীন প্রমাণ হয় গণনার দিন সকালে। বিপুল ভোটে জয়ী হয় নীতীশ কুমারের সংযুক্ত জনতা দল, আরজেডি ও কংগ্রেসের মহাজোট। রাহুলের পাশাপাশি গুলাম নবি আজাদ, রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালার মতো তাবড় কংগ্রেসি নেতারাও গতকালের একজিট পোলের হিসেবকে পাত্তা না দিয়ে দাবি করছেন, উত্তরপ্রদেশ সহ ৫ রাজ্যেই তাঁরা জিতছেন। গুলাম নবি হলেন কংগ্রেসের উত্তরপ্রদেশ শাখার সাধারণ সম্পাদক। তিনি অবশ্য আগাম গেয়ে রেখেছেন, আগামীকালের গণনার ফল নেতিবাচক হলে অর্থাত্ কংগ্রেস খারাপ ফল করলে তার দায় রাহুল গাঁধীর ঘাড়ে বর্তাবে না। কংগ্রেসের জয় বা হার, আগামীকালের গণনার ফল যা-ই হোক, তাকে রাহুল গাঁধীর নেতৃত্বের পরীক্ষার ফল বলে ধরা হবে না, তাও বলেন তিনি। এবারের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রচারের ভার নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছিলেন রাহুল। সুতরাং দলের সাফল্য বা ব্যর্থতার দায় কংগ্রেস সহ সভাপতির কিনা, প্রশ্ন করা হলে গুলাম নবি বলেন, নির্বাচন কোনও ব্যক্তিবিশেষের নেতৃত্বের ওপর গণভোট নয়।#ExitPolls were proved wrong after #BiharPolls, our alliance will win in #UttarPradeshElection2017 : #Congress VP Rahul Gandhi #ABPResults
— ABP News (@abpnewstv) March 10, 2017
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















